নয়াদিল্লি: উৎসবের মরশুমে বারবারই ভারতের বিভিন্ন জায়গাকে টার্গেট করে ছক সাজিয়ে থাকে জঙ্গিরা। এবারও দিওয়ালিতে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর। অন্তত ৪০০টি জায়গায় এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। মূলত দিল্লিকেই টার্গেট করেছে জইশ-ই-মহম্মদ।

দিল্লিতে অন্তত ৪২৫ টি জায়গায় জারি হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। হামলার আশঙ্কা রয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং ঘিরেও। এর আগে , নেপাল সীমান্তে ৪ জন কুখ্যাত জঙ্গিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছে বল জাানিয়েছিল এনআইএ। তাদেরও নিশানা দিওয়ালি বলেই জানা গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দিল্লিতে দিওয়ালির সময় জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নিয়ে কড়া প্রহরায় প্রশাসন। দিল্লির, রোহিনী, নর্থ ইস্ট, সেন্ট্রাল, দ্বারকা, নয়াদিল্লি এলাকাগুলি জঙ্গিদের হামলার ছকের মধ্যে রয়েছে বলে খবর।

বিভিন্ন বাজার এলাকাকে দিওয়ালিতে হামলার পাখির চোখ করে নিয়েছে জঙ্গিরা। এমনই দাবি করছে গোয়েন্দাদের রিপোর্ট। সেক্ষেত্রে, খান মার্কেট, চাঁদনি চক, অ্যাভিনিউ মার্কেটে রয়েছে অতন্দ্র প্রহরা।
শুধু সাধারণ মানুষ নয়, প্রধানমন্ত্রী থেকে রাষ্ট্রপতির ভবনেও জঙ্গি হামলার ছক রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও কনাট প্লেস জঙ্গিদের নিশানায় থাকছে বলেও খবর। জইশ জঙ্গিরা, দিল্লির লক্ষ্মীনগর, আনন্দ বিহারকেও টার্গেটে রেখেছে বলে দাবি গোয়েন্দা সূত্রের।

দিল্লির ২০০ টি পুলিশ স্টেশন এই মুহূর্তে হাই অ্যালার্টে রয়েছে। বিভিন্ন এলাকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সজাগ রয়েছেন সাদা পোশাকের গোয়েন্দারাও। সবমিলিয়ে দিল্লি এখন নিরাপত্তার বর্মে ঢাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।