নয়াদিল্লি: গোটা দেশে করোনার লাগামছাড়া সংক্রমণ। যেভাবে দেশে এত বড় সংখ্যায় মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন তাতে গোষ্ঠী সংক্রমণ যে হয়েছে তা স্বীকার করে নেওয়া উচিত ছিল বলে মনে করছেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তবে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ প্রসঙ্গে একমাত্র আইসিএমআর বা কেন্দ্রীয় সরকারই মতামত দিতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সংক্রমণ কমার লক্ষ্ণণই নেই। দেশজুড়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৯৩ হাজার ৩৩৭ জন নতুন করে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ১২৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গোটা দেশে শনিবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৩ লক্ষ ৮ হাজার ১৫ জন। এর মধ্যে করোনা অ্যাক্টিভ কেস ১০ লক্ষ ১৩ হাজার ৯৬৪টি। অর্থাৎ শনিবার সকাল পর্যন্ত ৪২ লক্ষ ৮ হাজার ৪৩২ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫ হাজার ৬১৯।

রাজধানী দিল্লি-সহ রাজ্যে-রাজ্যে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। দেশে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ হয়েছে বলে মনে করেন দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তিনিও করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তবে চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে কয়েকাস আগেই কাজে যোগ দিয়েছেন তিনি।

সত্যেন্দ্র জৈনের মতে, ‘‘দিল্লি-সহ দেশের অন্য অংশগুলিতে যেভাবে করোনার সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাতে গোষ্ঠী সংক্রমণ যে হয়েছে তা স্বীকার করে নেওয়া উচিত ছিল। তবে করোনার গোষ্ঠী সংক্রমণ প্রসঙ্গে একমাত্র আইসিএমআর বা কেন্দ্রীয় সরকারই মতামত দিতে পারে।’’

গোটা দেশের মধ্যে করোনার সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি মহারাষ্ট্রে। শনিবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী মহারাষ্ট্রে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১১ লক্ষ ৪৫ হাজার ৮৪০। মারাঠাভূমে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩১ হাজার ৩৫১।

শনিবার সকাল পর্যন্ত রাজধানী দিল্লিতে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ লক্ষ ৩৮ হাজার ৮২৮। দিল্লিতে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯০৭।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।