নয়াদিল্লি: দিল্লির উত্তর-পূর্বাংশে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষ নিয়ে রীতিমত উত্তাল গোটা দেশ। সরগরম ভারতীয় রাজনীতিও। এরই মধ্যে যাতে কোনও ভাবে হিংসাত্মক মেসেজ ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে দিকে কড়া নজর দিল দিল্লি প্রশাসন। তারা আনতে চলেছে এক হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর৷ হিংসাত্মক মেসেজ ছড়ানোর চেষ্টা হলে যাতে ওই নম্বরে অভিযোগ জানানো যায়।

গত সপ্তাহ থেকে চলা সংঘর্ষের জেরে এখনও পর্যন্ত মারা গিয়েছেন ৪২ জন। আহত হয়েছেন দুশোর কাছাকাছি মানুষ। কীভাবে এত ভয়ঙ্কর একটা ঘটনা ঘটল তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা।

ওই ঘটনার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে একাধিক হিংসাত্মক মেসেজ ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। তা থেকে যাতে পুনরায় নতুন করে কোন সমস্যা না দেখা দেয় তা নিয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে দিল্লি সরকার। জানানো হয়েছে যদি কেউ কোনও ধরনের হিংসাত্মক মেসেজ পান তা যেন দ্রুত ওই নম্বরে জানান। তাহলে সরকারের তরফ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। খুব তাড়াতাড়ি ওই নম্বর সাধারণের জন্য আনা হবে।

এক সরকারি আধিকারিকের তরফ থেকে জানা গিয়েছে অভিযোগের গুরুত্ব বুঝে তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি ওই অভিযোগ উচ্চ পদস্থ কর্তাদের কাছেও পাঠানো হবে। যদিও গত শুক্রবার দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ার উপরে নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উত্তর পূর্ব দিল্লিতে দফায় দফায় সংঘর্ষের পরেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পরেছিল ধর্মীয় উস্কানিমূলক একাধিক মেসেজ। যা আইনবিরুদ্ধ। যাতে সেই সকল মেসেজ থেকে কোন বড় ধরনের ঘটনা না ঘটে সেই কারণে দিল্লি পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। উপরন্তু প্রতিটা সোশ্যাল মিডিয়া কড়া নজরে রাখা হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে জানানো হচ্ছে তারা যেন এই ধরনের কোন মেসেজ নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট না করে পাশাপাশি তাদের যদি এই ধরনের কোন মেসেজ চোখে পড়ে তা যেন সাইবার হেল্পলাইন- ১৫৫২৬০ নম্বরে জানান।

তিন দিনের ওই সংঘর্ষের পরে মারা গিয়েছেন একাধিক মানুষ আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি হওয়ার পাশপাশি অনেকে নিখোঁজ। ওই সংঘর্ষে একাধিক বাড়ি স্কুল গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইতিমধ্যে ১০০০ জনকে শনাক্ত করেছে দিল্লি পুলিশ। তার মধ্যে ৬৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এই ঘটনার তদন্তের জন্য দুটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।