নয়াদিল্লি: নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় এবার প্লাজমা ব্যাংক তৈরির সিদ্ধান্ত নিল দিল্লির সরকার। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লিতে লফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্যমন্ত্রক। মারণ করোনায় লাগাম পরাতে এবার নযা তৎপরতা কেজরিওয়াল সরকারের।

ভারতের প্রথম রাজ্য (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) হিসেবে করোনা মোকাবিলায় প্লাজমা ব্যাংক তৈরির সিদ্ধান্ত নিল দিল্লির সরকার। বেড়ে চলা করোনায় লাগাম পরাতে প্লাজমা ব্যাংক যথেষ্ট সহায়ক হবে বলেই মনে করেছেন কেজরিওয়াল।

ঠিক হয়েছে, ইনস্টিটিউট অফ লিভার অ্যান্ড বিলিয়ারি সায়েন্সে এই প্লাজমা ব্যাংক তৈরি করা হবে। করোনা আক্রান্ত কারও চিকিৎসায় প্লাজমার প্রয়োজন পড়লে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তার জন্য আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সুপারিশ পাওয়া গেলে ওই রোগীকে প্লাজমা দেওয়া হবে।

দিল্লিতে লাফিয়ে বাড়ছে মারণ করোনার সংক্রমণ। সোমবার বিকেল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী দিল্লিতে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৮৩ হাজার ৭৭।

এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে দিল্লিতে ২ হাজার ৬২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্লাজমা ব্যবহার করে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পণ করেছে দিল্লির সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী কেজরিয়াল জানিয়েছেন, আগামী দু’দিনের মধ্যেই এই প্লাজমা ব্যাংক চালু হয়ে যাবে। দিল্লিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্লাজমা থেরাপির মাধ্যমে করোনার চিকিৎসা চলছে।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত রাজধানীতে ২৯ জন করোনা আক্রান্তকে এই থেরাপি দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকদের দাবি, প্লাজমা পদ্ধতিতে চিকিৎসার পর প্রত্যেকেই সুস্থ হয়েছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।