দেশজুড়ে মারণ ভাইরাসের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড পরিস্থিতি। দিনে দিনে রেকর্ড হারে মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। থেমে নেই মৃতের সংখ্যাও। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে সরকার। অনেক রাজ্যই ইতিমধ্যে মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কারফিউ ও লকডাউনের শরণাপন্ন হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের তরফেও কঠোরভাবে করোনা বিধি পালনের দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

এই প্রাণঘাতী ভাইরাস রুখতে দেশে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিপর্যস্ত স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। যার মধ্যে বেহাল অবস্থা রাজধানী দিল্লির। সেখানে অপর্যাপ্ত অক্সিজেনের অভাবে ইতিমধ্যেই লাগাতার মৃত্যু সংবাদ উঠে আসছে। যার জন্য দিল্লি সরকারও নিরঙ্কুশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পরিস্থিতি মোকাবিলায়। সেখানে চিকিৎসা পরিষেবা সুষ্ঠু ভাবে বজিয়ে রাখতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এবার দিল্লিতে অ্যাম্বুলেন্সগুলির উপর চাপ কমাতে চালু করা হল অক্সিজেন যুক্ত অটো-অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা।

করোনার হালকা লক্ষণ যুক্ত রোগীদের জন্যই এই পরিষেবা উপলব্ধ থাকবে। রোগীদের হাসপাতালে পৌঁছে দিতে এই অটো-অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা বিনামূল্যে পাওয়া যাবে সেখানে। সংবাদসংস্থা মারফত জানা জানা যাচ্ছে, এমন ১০টি অটো-অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করা হয়েছে, যেগুলিতে থাকবে একটি অ্যাম্বুলেন্স সিলিন্ডার ও স্যানিটাইজার।

টিওয়াইসিআইএ ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এএপি রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহ দ্বারা চালু করা, এই অটো-অ্যাম্বুলেন্সগুলির মাধ্যমে ৮৫ থেকে ৯০ এর মধ্যে অক্সিজেনের মাত্রা ও করোনার হালকা লক্ষণযুক্ত রোগীদের কাছাকাছি হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে বলে জানা যায়।

সঞ্জয় সিং কয়েকটি ছবি টুইটারে শেয়ার করেছেন। যাতে দেখা যাচ্ছে, পিপিই কিট পরিহিত ড্রাইভাররা অটো নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একটি ভিডিও টুইট করে তিনি এও জানান যে, ‘বিনামূল্যে অটো পরিষেবা মানুষদের হাসপাতালে পৌঁছতে সাহায্য করবে এবং আগামী ৬ মে থেকে এমন আরও ২০টি অটো-অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু করা হবে। এমন সংকটজনক পরিস্থিতিতে সবাইকে এক হয়ে কাজ করারও আবেদন জানান তিনি’।

প্রসঙ্গত, দিল্লিতে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি হয়েছেন ১৮,০৬৩ জন। পাশাপাশি মোট আক্রান্তের সংখ্যা সেখানে বেড়ে দাঁড়াল ১২ লক্ষ ৫৩ হাজার ৯০২। যার মধ্যে করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ লক্ষ ৪৩ হাজার জন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.