নয়াদিল্লি: রাস্তার বিক্রেতাদেরও ২০ হাজার টাকা লোন দেবে দিল্লি সরকার। সোমবার এক আধিকারিক একথা জানিয়েছেন।

দিল্লিতে প্রায় ৫ লক্ষ রাস্তার ফুটপাতে বিক্রেতা রয়েছে। কিন্তু এদের মধ্যে মাত্র ১.৩ লক্ষ বিক্রেতা ২০০৭ সালে এমসিডি এবং এনডিএমসিতে নিজেদের নথিভুক্ত করিয়েছেন।

দিল্লি এসসি, এসটি, ওবিসি, মাইনরিটিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশন (ডিএসএফডিসি) রাস্তার বিক্রেতাদের কম সুদের হারে ২০ হাজার টাকা লোন দেবে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সবজি ও ফল বিক্রেতারাও এই লোন পাবেন।

সোশ্যাল ওয়্যালফেয়ার মিনিস্টার রাজেন্দ্র পাল গৌতম এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মনে করা হচ্ছে, এরফলে স্থানীয় মহাজনদের ওপরে রাস্তার বিক্রেতাদের নির্ভরতা কমবে। এই মহাজনেরা চড়া হারে এই বিক্রেতাদের কাছ থেকে সুদ নিত।

শুধু লোন দেওয়া না, দিল্লি এসসি, এসটি, ওবিসি, মাইনরিটিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশন (ডিএসএফডিসি) রঘুবীর নগরে ৬০ টি শেড সংস্কারের কাজও করেছে। এগুলি বর্তমানে তফসিলি বর্ণভুক্ত উদ্যোক্তাদের বরাদ্দের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, লকডাউনের জেরে মারাত্মক খারাপ অবস্থায় পড়েছেন এই সকল ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা। রাস্তায় একদিকে যেমন দোকান খোলা দায়, অন্যদিকে রাস্তার দোকানে আসতেও চাইছে না অনেক গ্রাহক। ফলে মুশকিলে পড়েছেন তাঁরা। এমতাবস্থায় সরকারি লোন যে তাঁদের মুখে হাসি ফোটাবে তা বলাই যায়।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও