নয়াদিল্লি: পঞ্চাশ দিন পরে, তৃতীয়দফার লকডাউনের শুরুতেই ফের দাম বাড়ল পেট্রল-ডিজেলের। মঙ্গলবার সকালে ঘোষণা করেছে দিল্লি সরকার। সরকারি নোটিশে এদিন সকালে জানা গিয়েছে, পেট্রলের উপর ভ্যাট ২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩০ শতাংশ।

একইসঙ্গে ডিজেলের উপর তা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে ভ্যাট। আগে যা ১৬.৭৫ শতাংশ ছিল এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ শতাংশ। ভ্যাট পরিবর্তিত পেট্রলে দাম বেড়েছে ১ টাকা ৬৭ পয়সা এবং ডিজেলে যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ১০ পয়সা।

দিল্লিতে পেট্রলের বর্তমান দাম ৭১ টাকা ২৬ পয়সা অন্যদিকে ডিজেলের দাম একধাক্কায় ৬২ টাকা ২৯ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৯ টাকা ৩৯ পয়সা।

শেষ পঞ্চাশদিনে দাম অপরিবর্তিত থাকার পরে মে মাসের ৫ তারিখ এই পরিবর্তন করেছে অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার। দ্বিতীয়বারের মতন বেড়েছে লকডাউন। ইতিমধ্যেই ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে রাজ্য সরকার।

দিল্লির পার্শ্ববর্তী হরিয়ানাতেও প্রতি লিটারে পেট্রলের দাম বেড়েছে ১ টাকা অন্যদিকে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১ টাকা ১ পয়সা। তামিলনাডু সরকার ভ্যাট বৃদ্ধির পরে চেন্নাইতে পেট্রলের দাম বেড়েছে প্রতি লিটারে ৩ টাকা ২৫ পয়সা এবং ডিজেলে ২ টাকা ৫০ পয়সা।

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যাওয়ার পরেও রিটেলাররা দেশে দাম কমাতে পারেনি। লকডাউনে বিধিনিষেধ মেনে পেট্রল-পাম্প চালিয়েছে সকলে তাই চাহিদায় কোপ পরায় দাম কমানো সম্ভব হয়নি।

প্রসঙ্গত, এপ্রিলের মাসের ২০ তারিখ পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে অসম সরকার। সেই সময় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম অনেকটাই কম ছিল।

সরকারি নোটিশের বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, “অসমে ডিজেলের জন্য ভ্যাট ফিক্স হয়েছে ২৩.৬৬ পয়সা অথবা প্রতি লিটারে ১৭.৪৫ টাকা, যেটা বেশি হবে তাই ধার্য হবে। অন্যদিকে পেট্রলের জন্য ট্যাক্স এবং অন্যান্য মোটর স্পিরিটের জন্য ৩২.৬৬ পয়সা অথবা ২২.৬৩ প্রতি লিটারে যেটা বেশি হবে তা দিতে হবে”।

করোনা লকডাউনে রাজ্যের আর্থিক সংকট দূর করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম সরকার। এর আগে ২০১৭ সালে তেলের ভ্যাট বাড়িয়েছিল অসম সরকার। একইরকমভাবে দিল্লি সরকারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

করোনা লকডাউনে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে দেশের প্রায় সব রাজ্য। তাই মদের দোকান খোলা থেকে পেট্রলের দাম বৃদ্ধি সব সিদ্ধান্ত নিয়েছে করোনার ফলে থমকে যাওয়া অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে। এই অর্থনৈতিক টানাপোড়েনে বিপুল প্রভাব পড়েছে বাজারে। দুনিয়ার অর্থনীতির অন্যতম নিয়ন্ত্রক তেল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.