নয়াদিল্লি: একটি ১০০ শয্যা বিশিষ্ট কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে শহরে। ওইখানে দাবি করা হচ্ছে দেশের মধ্যে সর্ববৃহৎ বিনামূল্যে চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকছে সেখানে। রবিবার এই চিকিৎসা কেন্দ্রটির উদ্বোধন হয়। দিল্লি শিখ গুরুদুয়ারা  ম্যানেজমেন্ট কমিটি বা ডিএসজিএমসি দিল্লির বালাসাহেব গুরুদুয়ারাতে তৈরি করেছে গুরু হরকিষাণ ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে সেখানে এক বছরের মধ্যে ওই হাসপাতালটির সম্প্রসারণ করে এক হাজার শয্যা বিশিষ্ট করা হবে।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে‌ ডিএসজিএমসি-র প্রধান মনজিন্দার সিং‌ জানিয়েছেন, এই হাসপাতালের উদ্দেশ্য হল মানবতার সেবা। যার জন্য শিখ সম্প্রদায়  পরিচিত। শীঘ্রই তাঁরা এখানে এক হাজার শয্যার ব্যবস্থা করবেন এবং তা এক বছরের মধ্যে হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন। এখানে ২৪ জন ডাক্তার এবং ৯০ জন প্যারামেডিকেল কর্মী সারাক্ষণ কাজ করবে এবং আশা করা হচ্ছে  ন্যূনতম আনুষ্ঠিকতা নিয়ে সকলকে সেবা করার জন্য এই হাসপাতালটি চলবে বলে জানিয়েছেন ডক্টর ভেঙ্কটেশ। তিনি জানান, দিনে ৫০০ রোগী নিতে পারা যাবে ডায়ালেসিস করার জন্য।এ জন্য রোগীদের কাছ থেকে কোনরকম নথি চাওয়া হবে না অথবা নথিভূক্ত করা হবে না। রোগীরা একেবারে যেমন লঙ্গরে আসে এবং চলে যায় ঠিক তেমনি ডায়ালেসিস করতে আসবে এবং চলে যাবে।
এই হাসপাতাল চালানোর প্রাথমিক ভাবে তহবিলের উৎস হল অনুদান এবং সিএসআর কন্ট্রিবিউশন। জনগণ এখানকার ১০ কোটি টাকার মেশিনের জন্য অনুদান দিয়েছে। শুধুমাত্র শিখ সম্প্রদায় বলে নয় অন্যান্যরাও এজন্য অনুদান দিয়েছে। তাছাড়া সংস্থার সামাজিক দায়িত্ব ‌ পালনের তহবিল থেকে এবং সহকারী প্রকল্প থেকে অর্থ এসেছে। তবে রোগীদের কাছ থেকে এক নয়া পয়সাও নেওয়া হচ্ছে না বলে জানানো হয়েছে।‌ বেশ কিছু মানুষ‌‌ এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আপাতত যারা সেখানে যাবেন তাদের সেখানে চিকিৎসা করা হবে। তবে এক সপ্তাহ বাদে সেখানে চিকিৎসার জন্য় অনলাইন নাম লেখান যাবে বলে জানা গিয়েছে ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।