নয়াদিল্লি:  দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যে ১০০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। এরই মধ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন দিল্লির আরও এক মহল্লা ক্লিনিকের চিকিৎসক। রাজধানী জনস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই নিয়ে দুই চিকিৎসক ভয়ঙ্কর এই মারণ রোগে আক্রান্ত হলেন। গত ১০ দিনের মধ্যে দুই ডাক্তারের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।

সংবাদসংস্থা এনএনআইয়ে প্রকাশিত খবর মোতাবেক, ইতিমধ্যে ওই এলাকায় স্যানেটাইজেশনের কাজ শুরু করা হয়েছে। অন্যদিকে স্থানীয় স্বাস্থ্যদফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে, যে সমস্ত রোগী গত ১২-২০ মার্চ ওই ক্লিনিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে গিয়েছিলেন, তাঁদের সবাইকে নিজেদের বাড়িতে আগামী ১৫ দিন স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি খোঁজ চালানো হচ্ছে যে সংশ্লিষ্ট ওই ডাক্তারের কাছে আসা কোনও রোগীর মধ্যে শারীরিক কোনও অবনতি দেখা গিয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নতুন করে ডাক্তারের শরীরে করোনা ভাইরাসের নমুনা পাওতে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বহু মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বলা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগে সরকারি মহল্লা চিকিৎসক কেন্দ্রে এক ডাক্তারের শরীরেও একইভাবে করোনা ভাইরাসের নমুনা পাওয়া যায়। উত্তর-পূর্ব দিল্লির মৌজপুর এলাকার মহল্লা ক্লিনিকে কাজ করছিলেন। জানা যায়, ওই চিকিৎসকের সংস্পর্শে মোট ১,১৬৯ জন রোগী এসেছিলেন বলে জানা যায়। ভয়ঙ্কর ভাবে সবার মধ্যে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছিল। যদিও এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও আশঙ্কার কিছু পাওয়া যায়নি। যদিও তাঁদের সবাইকে ১৪ দিন স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টাইনে নিজেদের বাড়ির ভিতরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি প্রশাসন। এঁদের মধ্যে মার্চের ১২ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যে বেশিরভাগ রোগী তাঁর সংস্পর্শে আসেন। বাকিরা অন্যান্য জায়গায় গিয়ে ডাক্তারের চেম্বার যান।

ক্রমশ পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। লক ডাউনের মধ্যেও ক্রমশ বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। যা যথেষ্ট চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে স্বাস্থ্য আধিকারিকদের কপালে।