নয়াদিল্লি: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দিল্লি অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি আহতদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। ইতিমধ্যেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

রবিবার রাজধানী দিল্লিতে ভোর রাতে রানি ঝাঁসি রোডের একটি চামড়ার কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে। ওই বহুতলে আগুনের ধোঁয়ায় দম আটকেই মৃত্যু হয় অন্তত ৩৯ জনের। এর মধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রায় ৫০ জনকে উদ্ধার করেছেন দমকলের আধিকারিকরা।

এ দিন ভোরে বহুতল ওই কারখানাটিতে আগুন লাগে। কারখানার ভিতরে ছিলেন বহু শ্রমিক। ধোঁয়া ও আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তৎক্ষণাৎ পুলিশ ও দমকলে খবর পাঠান। এলাকাবাসীও উদ্ধারের কাজও শুরু করেন। দমকলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৫টা ২২ মিনিটে স্থানীয়দের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। পরে আরও ১৫টি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কারখানার ভিতরে আরও কেউ আটকে রয়েছেন কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখছেন দমকল কর্মীরা।

দমকল সূত্রে খবর, অধিকাংশেরই মৃত্যু হয়েছে দমবন্ধ হয়ে। আহত ও অসুস্থ অবস্থায় অনেককে উদ্ধার করে এলএনজেপি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মৃত্যু হয় বেশ কয়েক জনের। আশঙ্কাজনক আরও বেশ কয়েকজন।

দমকলের উপ-মুখ্য আধিকারিক সুনীল চৌধুরি বলেন, ‘৬০০ বর্গফুট এলাকার ওই ভবনটিতে আগুন লাগে। ভিতরে খুব অন্ধকার ছিল। ভিতরে স্কুল ব্যাগ ও অন্যান্য দাহ্য বস্তু মজুত থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।’ অন্য দিকে দিল্লি দমকলের প্রধান অতুল গর্গ বলেন, ‘আমরা ৫০ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি। অধিকাংশই অতিরিক্ত ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন।’

স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই কারখানায় কার্যত গাদাগাদি করে ঘুমোন প্রচুর শ্রমিক। তাঁদের অনেকেই আশপাশের কারখানাতেও কাজ করেন। কারখানার মালিকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। অন্য দিকে কারখানায় অগ্নি নির্বাপণের যথাযথ ব্যবস্থা ছিল না বলেই প্রাথমিক অনুমান দমকলের। এ নিয়ে আলাদা করে তদন্ত শুরু করেছেন দমকল আধিকারিকরা।

তাঁরাও। কী কারণে আগুন লেগেছিল, তাও জানার চেষ্টা করছেন দমকলের তদন্তকারীরা।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা