নয়াদিল্লি: আইনি গেরোয় এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁকে সমন পাঠাল দিল্লি আদালত। নির্বাচন কমিশনে তথ্য গোপন করা এবং মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে সমন পাঠাল নগর দায়রা আদালত।

আদালত সূত্রের খবর, ২০১৩ সালে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের সময় অরবিন্দ কেজরিওয়াল নির্বাচন কমিশনের কাছে ভুল তথ্য পেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ। মনোনয়নের সময় এফিডেভিটে কেজরিওয়াল তাঁর বাড়ির আসল ঠিকানা এবং সম্পত্তির সঠিক পরিমাণ দেননি বলে অভিযোগ। এর ভিত্তিতেই এদিন অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নোটিশ পাঠালেন দিল্লির নগর-দায়রা বিচারক স্নিগ্ধা সারভারিয়া। জনপ্রতিনিধি আইন এবং সংবিধানের ১৭৭ ধারা অনুসারে কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরও হয়েছে।

জানা গিয়েছে, মৌলিক ভারত ট্রাস্ট নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নোটিশ দিল আদালত। ২০১৩ নির্বাচনের সময় অরবিন্দ কেজরিওয়াল ইচ্ছাকৃতভাবে মনোনয়নপত্রের এফিডেভিটে তাঁর বাড়ির ঠিকানা এবং নিজস্ব সম্পত্তির পরিমাণ গোপন করেছিলেন বলে মৌলিক ভারত ট্রাস্টের অভিযোগ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।