নয়াদিল্লি: ছত্রসাল স্টেডিয়ামে তরুণ কুস্তিগীর সাগর রানা(Sagar Rana) হত্যা মামলায় (murder case) অভিযুক্ত সুশীল কুমার (Sushil Kumar) ও তাঁর সহযোগী অজয় কুমারকে আগেই ১৪ দিনের জেল হেফাজতের (judicial custody) নির্দেশ দিয়েছিল আদালত৷ এবার সেই মেয়াদ আরও বাড়ানো হল৷ দিল্লি কোর্ট সুশীকে ২৫ জুন পর্যন্ত জেল হেফাজতের রাখা নির্দেশ দিল৷

সপ্তাহের শুরুর দিকে আদালত সুশীল কুমারকে কারাগারের অভ্যন্তরে বিশেষ পরিপূরক ডায়েট চেয়ে আবেদন করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল৷ আদালতের যুক্তি ছিল আইন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত। শুক্রবার দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখা কুস্তিগীর সাগর রানা হত্যার জড়িত সন্দেহে ১০ নম্বর ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে৷ যে কি না, সুশীল কুমারের সহযোগী অনিরুদ্ধ(Anirudh)। সেও পেশায় একজন কুস্তিগীর৷ প্রধান অভিযুক্ত সুশীল কুমারের নির্দেশে সাগর রানা ও তার বন্ধুদের মারধর করার কথা স্বীকার করেছে অনিরুদ্ধ।

অভিযুক্ত সুশীল কুমারের(Sushil Kumar) বিরুদ্ধে তদন্তে নেমে নানা তথ্য হাতে পেয়েছে দিল্লি পুলিশ (Delhi police)৷ ঘটনার পর বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়ানোর সময় সুশীল সিম-লেস ফোন (SIM-less phone), টেলিগ্রাম অ্যাপ (Telegram app) এবং ইন্টারনেট ডংগল (internet dongle) ব্যবহার করত বলে জানিয়েছে ক্রাইম ব্রাঞ্চের (Crime Branch) আধিকারিকরা৷

অলিম্পিকে দু’বারের পদকজয়ী কুস্তিগীর সুশীল ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন লোকের সঙ্গে টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখল বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ গত সোমবারই সুশীলকে নিয়ে হরিদ্বারে (Haridwar) নিয়ে গিয়েছিলেন ক্রাইম ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা৷ ঘটনার পরই প্রথমে হরিদ্বারে গা-ঢাকা দিয়েছিলেন অলিম্পিকে দু’বারের পদকজয়ী কুস্তিগীর সুশীল কুমার (Sushil Kumar)৷ সেখানে একটি আশ্রমে গা-ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি৷ ঘটনার পর পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়ানোর সময় সিম কার্ড ছাড়া ফোন ব্যবহার করতেন সুশীল৷

সুশীলের বন্ধু প্রিন্স রাজসাক্ষী হওয়ায় ইচ্ছেপ্রকাশ করায় আরও বিপাকে পড়েছেন অলিম্পিকে রুপো ও ব্রোঞ্চ জয়ী কুস্তিগীর সুশীল৷ ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ এব ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে রুপো জিতেছিলেন তিনি৷ এছাড়াও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে কমনওয়েলথ গেমসে তিনটি সোনা, ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপে একটি সোনা এবং এশিয়ান গেমসে একটি ব্রোঞ্জ ও চারটি এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ মেডেল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.