নয়াদিল্লি: আসন্ন আই লিগে দেশের রাজধানী শহর নয়াদিল্লি থেকে অংশগ্রহণ করতে পারে দু’টি দল। সোমবার এমনই সম্ভাবনার কথা জানালেন অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি প্রফুল্ল প্যাটেল। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান এটিকে’র সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে আইএসএলে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। তাই মোহনবাগানের পরিবর্তে আই লিগে নতুন ক্লাবকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিড ওপেন করেছে এআইএফএফ।

আর সেই বিডে রাখা হয়েছে আই লিগ না খেলা বিভিন্ন শহরের দলকে। যে তালিকায় রাজধানী নয়াদিল্লর পাশাপাশি রাঁচি, জয়পুর, যোধপুর, ভোপাল, লখনউ এবং আমেদাবাদকে রাখা হয়েছিল। তবে রাজধানী শহরের দু’টো ক্লাব সম্ভবত যোগদান করতে চলেছে ২০২০-২১ আই লিগে। জাতীয় দলের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে দিল্লি ফুটবলের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্যাটেল জানান, ‘দিল্লির একাধিক ক্লাবকে ঝুব শীঘ্রই দেখা যাবে আই লিগে। হয়তো রাজধানী শহর থেকে দু’টো ক্লাবকে দেখা যাবে আসন্ন আই লিগে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়টি দেখাশোনা করছি। রাজধানী শহর হওয়ায় দিল্লি আরও বেশি করে ভারতীয় ফুটবলের পরিধিতে নজরে আসা উচিৎ।’

উল্লেখ্য দিল্লির সুদেবা এফসি, বিশাখাপত্তনমের শ্রীনিধি ফুটবল ক্লাব এবং শিলং’য়ের রিনিথ এসসি সম্প্রতি ফেডারেশনের কাছে আর্থিক প্রমাণ এবং টেকনিক্যাল বিভিন্ন নথি জমা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

দিল্লি ফুটবলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বার্থ-ডে বয় সুনীল ছেত্রীও। ‘দিল্লি বয়’ সুনীলের জন্মদিনকে দিল্লি ফুটবল ডে হিসেবে পালন করে রাজধানীর ফুটবল সংস্থা। সুনীলের ৩৬ তম জন্মদিনে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরণ রিজিজু তৃণমূল স্তর থেকে প্রতিভা তুলে আনার ক্ষেত্রে একটি স্কাউট কমিটি গঠনের কথা জানান। স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার তত্ত্বাবধানে জোনাল লেভেল স্কাউট কমিটি একদম নীচু স্তর থেকে প্রতিভা তুলে আনার কাজ করবে বলে জানান ক্রীড়ামন্ত্রী।

একইসঙ্গে দিল্লির ফুটবলের উন্নতির স্বার্থে রাজধানীর ফুটবল পরিকাঠামো উন্নতির ব্যাপারে তিনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনায় বসবেন বলেও জানিয়েছেন রিজিজু। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভারত অধিনায়ক ক্রাড়ামন্ত্রীর উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান এবং বলেন, ‘যদি প্রত্যেকটি প্রতিভা খুঁজে বের করে আনা সম্ভব হয় এবং প্রতিপালন করা যায় তাহলে ভারতীয় ফুটবলের অর্ধেক সমস্যা দূর হয়ে যাবে। এটা আমার কাছে জন্মদিনের সেরা উপহার।’

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও