নয়াদিল্লি: গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মারাত্মক অবস্থার মধ্যে দিয়ে চলছে দিল্লি। একদিকে করোনার গতি কমার লক্ষণ নেই, তার মধ্যে প্রতিদিন মৃত্যু হচ্ছে শয়ে শয়ে মানুষের। ঘন জনবহুল অঞ্চল এবং বাজারে যানজটের কারণে করোনার সংক্রমণের হার বেড়েছে। প্রতিদিন ভয়ংকর থেকে ভয়ংকরতম হয়ে উঠেছে করোনা।

পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, দিল্লিতে প্রতি ঘন্টায় গড়ে ৫ জনের মৃত্যু হচ্ছে। এই নিয়ে টানা চতুর্থ দিন করোনার কারণে শতাধিক লোক মারা গেছেন। গত ২৪ ঘন্টায় রাজধানীতে ১২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ৪৪৫৪ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

আরও পড়ুন – কলকাতায় আরও নামল পারদ, বেলাতেও থাকছে উত্তুরে হাওয়ার দাপট

অবস্থা এমন যে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে যে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে সংক্রমণ রুখতে যাবতীয় চেষ্টা করছে দিল্লি সরকার। তবে করোনা কমার এখনও কোনও লক্ষনই সামনে আসেনি।

করোনা ধ্বংসযজ্ঞে দিল্লির হাসপাতালগুলিতে শয্যা সংখ্যাও হ্রাস পাচ্ছে। কোথাও, মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করা রোগী বেড পাচ্ছেন না এবং বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন।

দিল্লিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাস্ক না পড়লে দুই হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। প্রথমে এই ফাইনের পরিমাণ ছিল ৫০০ টাকা। একই সঙ্গে কোয়ারেন্টাইন বিধি লঙ্ঘন করা, শারীরিক দূরত্ব না মানার ক্ষেত্রে এবং পাবলিক জায়গায় থুথু ফেলার জন্য ফাইন আসবে ২০০০ টাকা। তবে এসব নিয়ম করার পরেও দিল্লিতে অব্যহত করোনা তাণ্ডব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I