coronavirus
ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি : একদিকে যেমন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তেমনই বাড়ছে সুস্থতার হার। সোমবার পর্যন্ত গোটা দেশে আরোগ্যের হার ৬৩.০২ শতাংশ। এই ইস্যুতে ১৯টি রাজ্যের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্র। যে সব রাজ্যে আরোগ্যের হার বেড়েছে তাদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে।

এই ১৯টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের মধ্যে প্রথম দশে জায়গা পায়নি পশ্চিমবঙ্গ। তালিকাটি হল

১. লাদাখ (৮৫.৪৫ শতাংশ)

২. দিল্লি (৭৯.৯৮ শতাংশ)

৩. উত্তরাখণ্ড (৭৮.৭৭ শতাংশ)

৪. ছত্তিশগড় (৭৭.৬৮ শতাংশ)

৫. হিমাচল প্রদেশ (৭৬.৫৯ শতাংশ)

৬. হরিয়ানা (৭৫.২৫ শতাংশ)

৭. চন্ডীগড় (৭৪.৬০ শতাংশ)

৮. রাজস্থান (৭৪.২২ শতাংশ)

৯. মধ্যপ্রদেশ (৭৩.০৩ শতাংশ)

১০. গুজরাত (৬৯.৭৩ শতাংশ)

এদিকে, দেশে সর্বোচ্চ হারে রেকর্ড সংক্রমণ, আবারও! ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হলেন ২৮ হাজার ৭০১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০০ জনের। এখন পর্যন্ত ২৪ ঘন্টার হিসেবে এটিই সর্বোচ্চ সংক্রমণ।

নতুন করে সংক্রমণের জেরে দেশে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ লক্ষ ৭৮ হাজারের বেশি। এরমধ্যে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ৩ লক্ষ ১ হাজার ৬০৯ টি। মোট মৃত্যু হয়েছে ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষের। এখন পর্যন্ত সুস্থ হওয়া মানুষের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪৭১ জন।

অন্যদিকে রবিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে যে যুদ্ধে দেশবাসী নেমেছে, তা সফল হবেই। করোনার বিরুদ্ধে সাফল্য আসবে। পরিস্থিতি এখনও হাতের বাইরে যায়নি। ১৩০ কোটি মানুষের দেশে গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো বজায় রেখে করোনার সঙ্গে লড়াই করা, কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। তা ভারত দেখিয়ে দিয়েছে।

করোনা মোকাবিলায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের নিরিখে ভারত ভালো অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন অমিত শাহ। তবে করোনা পরবর্তী বিশ্বে ভারত এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশাপ্রকাশ করেন অমিত শাহ।

অন্যদিকে, সোমবার থেকেই ভারতে শুরু হল ‘কোভ্যাক্সিন’-এর হিউম্যান ট্রায়াল। ভারতীয় সংস্থা ‘ভারত বায়োটেক’ আইসিএমআরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই ভ্যাক্সিন তৈরি করেছে। সোমবার থেকেই মানবদেহে সেই ভ্যাক্সিনের পরীক্ষা-নিরিক্ষা শুরু করবে পাটনার এইমস।

ফেজ ওয়ানের ফলাফল সামনে আসলে পরের ধাপে পরীক্ষা হবে। ১২টি ইনস্টিটিউট বেছে নেওয়া হয়েছে ট্রায়ালের জন্য। এর মধ্যে রয়েছে দিল্লি ও পাটনার এইমস।

ফেজ ওয়ানে অংশ নেবে ৩৭৫ জন। তিনটি ভাগে তাদের ভাগ করা হবে। প্রত্যেককে ১৪ দিন বাদে বাদে দুটি ডোজ দেওয়া হবে। ফেজ ওয়ান শেষ হলে পরের ফেজের জন্য ৭৫০ জনকে নেওয়া হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ