বিশাখাপত্তনম: অ্যাওয়ে ম্যাচের সাফল্যের ভিত্তিতে চলতি আইপিএলের দুই মেরুতে অবস্থান করছে দিল্লি ক্যাপিটালস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ৷ প্লে-অফের আগে দিল্লি তাদের ৭টি অ্যাওয়ে ম্যাচের মধ্যে জিতেছে ৫টি ম্যাচে৷ হেরেছে মাত্র দু’টিতে৷ অন্যদিকে, সানরাইজার্স তাদের ৭টি অ্যাওয়ে ম্যাচের মধ্যে জিতেছে মাত্র ১টি’তে৷ হেরেছে ৬টি ম্যাচ৷

নিরপেক্ষ মাঠে এলিমিনেটরের লড়াই মানে দু’দলের কাছেই এটি অ্যাওয়ে ম্যাচ৷ সেই অ্যাওয়ে ম্যাচে প্রভাবশালী পারফরম্যান্স জারি রাখল দিল্লি ক্যাপিটালস৷ টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়ে দিল্লি সানরাইজার্সকে  নির্ধারিত ২০ ওভারে আটকে রাখল ৮ উইকেটে ১৬২ রানে৷

আরও পড়ুন: ১০ দিনের ‘ব্রেক’ নিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন শোয়েব

যদিও পিচ ও পরিস্থিতির বিচারে সানরাইজার্স ইনিংসকে খাটো করে দেখা সম্ভব নয়৷ তবু অরেঞ্জ আর্মিকে নাগালের মধ্যে বেঁধে রেখে প্রাথমিকভাবে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে রেখে দেয় ক্যাপিটালস৷

ঋদ্ধিমান সাহা মাত্র ৮ রান করে আউট হলেও ওপেনিং জুটিতে ৩.১ ওভারে ৩১ রান তুলে ফেলে সানরাইজার্স৷ অপর ওপেনার গাপ্তিল ১৯ বলে ৩৬ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে ফিরে যান৷ তিনি ১টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন৷ মণীশ পান্ডে সতর্ক হয়ে ব্যাট করেন৷ তিনি ৩৬ বলে ৩০ রান করে আউট হন৷

আরও পড়ুন: সহজ ম্যাচ কঠিন করে জয় মিতালিদের

কেন উইলিয়ামসন, বিজয় শঙ্কর, মহম্মদ নবিরা বড় রানের ইঙ্গিত দিয়েও আউট হয়ে বসেন৷ উইলিয়ামসন ২৭ বলে ২৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন৷ বিজয় শঙ্কর ১১ বলে ২৫ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলে ক্রিজ ছাড়েন৷ নবি ১৩ বলে ২০ রান করে উইকেট দেন৷ বোলার কীমো পলের সঙ্গে ধাক্কায় দূর্ভাগ্যজনক রানআউট হওয়ার আগে দীপক হুডা মত্র ৪ রান করেন৷ খাতা কোলার আগেই রশিদ খান আউট হয়ে যান৷ বাসিল থাম্পি অপরাজিত থাকেন৷

কীমো পল ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন৷ ৩৪ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন ইশান্ত শর্মা৷ ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচ করে ১টি উইকেট নিয়েছেন অমিত মিশ্র৷ ৩৭ রান দিয়ে ১টি উইকেট দখল করেন ট্রেন্ট বোল্ট৷