নয়াদিল্লি: ফল বলতে শুরু করেছে ঝাড়খণ্ডে মুখ পোড়ালেও, দিল্লির একটি বড় অংশের বাসিন্দারা ঠাণ্ডা প্রলেপ লেপে দিয়েছেন ভাজপা নেতাদের। গত বছরের শেষ নির্বাচনে ঝাড়খণ্ড হাতছাড়া হয় মোদী-শাহ জুটির। আর নতুন বছরের শুরুতে খানিকটা হাল্কা হাসির রেশ পদ্ম শিবিরের কুশীলবদের। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার শুরু থেকেই পিছিয়ে বিজেপি। কিন্তু স্বস্তি। কারণ গতবারের তুলনায় ফল ভালো। দ্বিগুণের বেশি আসন তাদের পকেটে আসছে( সকাল ১১.১৫ পর্যন্ত হিসেব )!

গতবারের ৩ থেকে এক ধাক্কায় দুই অংকের ঘরে ঢুকতে চলেছে। এখানেই চমৎকারি-অন্তত একটার পর একটা রাজ্য বিজেপির হাতছাড়া হওয়ার পর দিল্লিতে সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়েছিলেন মোদী-শাহরা। সেই পরিশ্রম কাজে এসেছে। ৭০টি আসনের মধ্যে ৫০ এর বেশিতে ঝাঁটা দিয়ে বিজেপিকে সাফ করেছেন কেজরিওয়াল। তিনি আবারও মুখ্যমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন। আর আম আদমি পার্টির এই ঝাঁটা অভিযানেও পদ্ম বনে ফুটছে ফুল। পরপর দু বার সরকারে থাকার পর প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা যদি এই ফল দিতে শুরু করে, তাহলে সমমনস্ক কংগ্রেসের সঙ্গে জোট না করাও বড় খেসারত দিলেন কেজরি।

যেখানে বিজেপি বিরোধী সব জনসভা ও সরকার গড়ার অনুষ্ঠানে তাঁকে রাহুল গান্ধীর আসে পাশেই দেখা যায়। থাকেন বিজেপি বিরোধী অপর প্রধান নেত্রী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লি বিধানসভা ভোটের ফলাফলের মাঝেই সকাল থেকেই কার্যত ফাঁকা বিজেপির সদর দফতর। এর মধ্যে বিজেপির অফিসের বাইরে একটি হোর্ডিং দেখা যায়, ‘জয়ে আমরা অহংকারী হই না। পরাজয়ে আমরা নিরাশ হই না।’ হোর্ডিংয়ের একাংশে বড়বড় করে রয়েছে অমিত শাহের ছবি।

এক ঝলকে দেখে মনে হচ্ছে, অমিত শাহই এমনটাই বলছেন। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল সেই ছবি। আর সেই ছবি ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলের কটাক্ষ, তাহলে সব দম্ভ চুরমার। দিনের শুরুতেই হার স্বীকার করে নিল বিজেপি? যদিও এই বিষয়ে একেবারেই স্পিকটি নট বিজেপি নেতৃত্ব। তারই মাঝে প্রশ্ন হেরেও কি আসলে হারল বিজেপি ?