কলকাতা: ইডেনের সজীব পিচে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে হলেও প্রথম দিনে অভিজ্ঞ অনুষ্টুপ-শ্রীবৎস জুটি ম্যাচের রাশ বাংলার হাতেই এনে দিয়েছিল৷ প্রথম দিনের শেষে বাংলা যেখানে দাঁড়িয়েছিল, সেখান থেকে প্রথম দফায় তাদের বড় রানের ইনিংস গড়ার সম্ভাবনা ছিল প্রবল৷ তবে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই লোয়ার অর্ডারের হঠকারিতায় দিল্লির ঘাড়ে বড় রানের বোঝা চাপানোর সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলা৷ যদিও দ্বিতীয় দিনের শেষে বোলারদের সৌজন্যেই লড়াইয়ে টিকে মনোজ তিওয়ারিরা৷

আরও পড়ুন: শতরান হাতছাড়া অনুষ্টুপের, দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলা

প্রথম দিনের ৫ উইকেটে ২৮৬ রানের পর থেকে খেলতে নেমে বাংলা দ্বিতীয় দিনের প্রথম ঘণ্টায় অল-আউট হয়ে যায় ৩১৮ রানে৷ অনুষ্টুপ নিশ্চিত শতরান মাঠে ফেলে আসেন৷ তিনি ব্যক্তিগত ৯৯ রানের মাথায় দূর্ভাগ্যজনক রান-আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন৷ শাহবাজ আহমেদ আউট হন ব্যক্তিগত হাফ-সেঞ্চুরির দোরগোড়া থেকে৷ তিনি ৪৬ রান করে ক্রিজ ছাড়েন৷

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে শুরুতে ব্যাটিং ভারতের

পালটা ব্যাট করতে নামা দিল্লি শিবিরে শুরুতেই ধাক্কা দেয় বাংলা৷ ওপেনার কুনাল চান্ডেলাকে ৯ রানে ফিরিয়ে দেন অভিষেককারী নীলকান্ত দাস৷ হিতেন দালাল ও ধ্রুব শোরে জুটি প্রাথমিক বিপর্যয় রোধ করার চেষ্টা করেন বটে, তবে খুব বেশি দূর টেনে নিয়ে যেতে পারেননি দলের ইনিংসকে৷ নীলকান্তই বাংলাকে দ্বিতীয় ব্রেক-থ্রু এনে দেন হিতেনকে নিখুঁত ইয়র্কারে বোল্ড করে৷ হিতেন ৪০ রান করে সাজঘরে ফেরেন৷

আরও পড়ুন: টেনিসের খাসতালুকে দাঁড়িয়ে নোবেলজয়ীর মুখে ৭৫-এর শিল্ড ফাইনাল

ধ্রুব শোরে ৬৫ রান করে মুকেশ কুমারের শিকার হন৷ নীতিশ রানাকেও ২৪ রানে আউট করেন মুকেশ৷ পর পর ২ বলে ক্ষিতিজ শর্মা (৯) ও সিমরজিৎ সিংয়ের (০)উইকেট তুলে নেন শাহবাজ আহমেদ৷ হ্যাটট্রিকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকলেও দ্বিতীয় দিনে সেই সুযোগ পাননি শাহবাজ৷ কেননা সিমরজিৎ আউট হওয়া মাত্রই মন্দ আলোর জন্য দিনের মতো খেলা বন্ধ হয়ে যায়৷ আপাতত দ্বিতীয় দিনের শেষে দিল্লি তাদের প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটের বিনিময়ে ১৯২ রান তুলেছে৷ প্রথম ইনিংসের নিরিখে বাংলার থেকে এখনও ১২৬ রানে পিছিয়ে রয়েছে দিল্লি৷ হাতে রয়েছে ৪টি উইকেট৷