নয়াদিল্লি: দিল্লি নজরে বহুদিন। এবার অবাক করা খুন। আইসক্রিম নিতে প্রত্যাহার করায় খুন হতে হল ২৫ বছরের এক যুবককে, এমনই জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে।

অমিত শর্মার খুনের ঘটনায় এখনও অবধি চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২৭ বছরের ছাত্র লক্ষয় এবং তাঁর বড় দাদা করণ যে গাড়ির শোরুমে সেলস এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করেন তাঁদের সঙ্গে ২৬ বছরের সেলস এক্সিকিউটিভ ধীরজ এবং ২৭ বছরের অবিনাশ যিনি পেশায় একজন দোকানি তাঁকে চার ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, মিরাতের লালা লাজপত রাই মেমোরিয়াল মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র লক্ষয় যে সম্প্রতি এমবিবিএস পাশ করেছেন। খুশি উদযাপন করছিলেন রোহিণীতে চার বন্ধুর সঙ্গে। সেখানেই আনন্দ নিমেশেই রক্তের খেলায় পরিণত হয়।

পরে চারজনের ওই দল আইসক্রিম কিনতে গেলে অমিত শর্মা সহ তাঁর শ্যালক রাহুল এবং বন্ধু ইশান্তের সঙ্গে দেখতে পান। অই চারজনই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

লক্ষয় এবং তাঁর বড় দাদা এবং তাঁর বন্ধুরা নেশাগ্রস্ত হয়ে অমিত শর্মা সহ তাঁর শ্যালক রাহুল এবং বন্ধু ইশান্তকে আইসক্রিম দিতে চাইলে তারা খাবেন না বলেন, এরপরেই শুরু হয় বচসা।

অমিত শর্মা একটি তেলের কোম্পানিতে কাজ করতেন। সেই কোম্পানি তাঁর বাবার। মাথায় চরম আঘাত নিয়ে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ডাক্তার তাঁকে মৃত বলে ঘোষানা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে রাহুল এবং ইশান্ত ওই মদ্যপ চারজনের গাড়ির নম্বর লিখে রাখেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে চার ঘন্টা পরেই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। দায়ের হয়েছে খুনের মামলা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।