মুম্বই: রবিবার অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুতে নানা মতামতের উত্থাপন হয়েছে, ভাসছে সোশ্যাল মিডিয়া। তবে আরও যা বেশি ছড়িয়ে পড়েছে তা হল ছবি, একনিমেশে পর্দার নায়ক থেকে ‘ট্র্যাজিক হিরো’ সুশান্ত।

ছবিতে এখনও ভাসছে সোশ্যাল মিডিয়া। অনলাইনে ছড়িয়ে গিয়েছে নানা ছবি যা ‘অস্বস্তিকর এবং খারাপ স্বাদের পরিচয় দেয়’, মহারাষ্ট্র পুলিশ তেমনটাই জানিয়েছে ট্যুইট করে। পাশাপাশি এও জানানো হয়েছে, এই ধরনের কার্যকলাপ ‘আইনি পদক্ষপের যোগ্য এবং ‘মুছে দিতে হবে’।

একাধিক ট্যুইটে সোশ্যাল মিডিয়া ইউসারসদের উদ্দেশে রাজ্য পুলিশ অনুরোধ জানিয়েছে, ‘এই ধরনের অস্বস্তিকর ছবি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে’।

এমনই একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, “মহারাষ্ট্র সাইবার সেল একটি অস্বস্তিকর ছবির ট্রেন্ড সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ্য করেছে যেখানে মৃত সুশান্ত সিং রাজপুতের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে যা একদমই অস্বস্তিকর এবং খারাপ স্বাদের পরিচয় দেয়”।

অভিনেতা-রাজনীতিবিদ উর্মিলা মাতন্ডকার টুইটারে আবেদন করেন: “অসংবেদনশীল এনং দায়িত্বজ্ঞানহীন পোস্ট দেখে বিরক্ত। মানসিক সমস্যার প্রতি এমপ্যাথি প্রয়োজন, এই ধরণের অসংবেদনশীল প্রতিবেদনের দরকার নেই। দয়া করে, মৃত্যুতে তো কিছু মর্যাদা বজায় রাখুন।”

২০১৩ সালে সমালোচিত-প্রশংসিত সিনেমা ‘কাই পো চে’ দিয়ে বলিউডে পা রাখেন এই ৩৪ বছর বয়সী অভিনেতা। রবিবার তাঁর বান্দ্রার বাড়িতে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় সুশান্তকে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যা বলেই সন্দেহ তাঁদের, তবে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।

প্রায় দশবছর আগে বালাজির টেলিভিশন সিরিয়াল ‘পবিত্র রিশতা’র মাধ্যমে স্টারডমে উঠে আসা এই তরুণ অভিনেতার মৃত্যু দেশকে শোকস্তব্ধ করে দিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।