নয়াদিল্লি: মানুষ শীতকালে খুব কম সময়েই তৃষ্ণার্ত বোধ করে। তবে কম তৃষ্ণার্ত বোধ করার জন্য কখনও যেন ভেবে বসবেন না যে শরীরের জলের দরকার নেই। আপনি হয়ত জানেন না তবে জলের অভাবে আপনার শরীর ধীরে ধীরে ডিহাইড্রাইটিং শুরু করে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিহাইড্রেশন শরীরের প্রধান অঙ্গগুলিতে খুব খারাপ প্রভাব ফেলে। আসুন জেনে নিন কীভাবে ডিহাইড্রেশন আমাদের শরীরের ওপর ভয়ংকর প্রভাব ফেলতে পারে।

ডিহাইড্রেশনের কারণে, ইলেক্ট্রোলাইটের স্তর খুব কমে যেতে পারে। যা মস্তিষ্কে অনেক সমস্যা তৈরি করতে পারে। মেয়ো ক্লিনিকের মতে, যদি ইলেক্ট্রোলাইটগুলি খুব কম হয় তবে এগুলি কোষগুলিতে কোনও সংকেত পাঠাতে সক্ষম হবে না। এরফলে পেশিতে স্ট্রেন থেকে শুরু করে খিঁচুনি পর্যন্ত হতে পারে।

শরীরে জলের অভাব দেখা দিলে, কোষগুলি মস্তিষ্কে তৃষ্ণার সংকেত পাঠায়। তবে ডিহাইড্রেশন মস্তিষ্ককে অন্যান্য উপায়ে প্রভাবিত করে। ডিহাইড্রেশন মেজাজ এবং কর্মক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। আমেরিকান কলেজ অফ নিউট্রিশনের ম্যাগাজিন অনুসারে, ডিহাইড্রেশনের প্রভাবে কোনও কাজ ২ শতাংশ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ডিহাইড্রেশন স্মৃতিশক্তিকেও প্রভাবিত করে।

শরীরে জলের অভাব দেখা দিলে কোষগুলি হাইপোথ্যালামাসে একটি সংকেত প্রেরণ করে, যা ভ্যাসোপ্রেসিন নামক হরমোন নিঃসরণ করে। এটি অ্যান্টিডাইরেক্টিক হরমোন (এডিএইচ) নামেও পরিচিত।

রক্ত তৈরি করতে শরীরের তরল প্রয়োজন হয়। শরীরে জলের অভাব দেখা দিলে রক্তের স্তরও হ্রাস পায়। বিখ্যাত ডায়েটিশিয়ান স্টিফানস্কি জানিয়েছেন, ‘শরীরে সঠিক রক্তচাপ বজায় রাখতে পর্যাপ্ত তরল প্রয়োজন।’ শরীরে জলের অভাবের কারণে হাইপোটেনশন বা নিম্ন রক্তচাপ হতে পারে। এর কারণে ওই ব্যক্তি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে।

ডাক্তার বুশ জানিয়েছেন, এর কারণে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, চোখে চাপ, সেক্স লাইফ নষ্ট হওয়া বা ঘুমের মতো সমস্যা হতে পারে।

হজম সিস্টেমের উপর প্রভাব- হজম সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে জল প্রয়োজন। বর্জ্য পদার্থগুলি শুধুমাত্র জলের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয় এবং হজম ব্যবস্থা ঠিক থাকে।

ত্বকের উপর প্রভাব- জলের অভাব সরাসরি ত্বকেও প্রভাব ফেলে। এরফলে ত্বক শুকিয়ে যেতে শুরু করে। ঠোঁট ফাটতে শুরু করে। ভালো ত্বকের জন্য প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.