নয়াদিল্লি: আকাশপথে ভারী এয়ারক্রাফট ওঠানামার জন্য এবার ব্যবস্থা তৈরি করল প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। ৭ টন অবধি ওয়েট ক্যারি করতে সক্ষম P7 Heavy Drop System।

বড়সড় বাহিনী এবং অনেকটা রসদ একসঙ্গে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে রুশ সামরিক বিমান আইএল-৭৬ স্ট্র্যাটেজিক এয়ারলিফ্টার ব্যবহৃত হয়। স্ট্র্যাটেজিক এয়ারলিফ্টার হওয়ার সুবাদে অনেক বেশি বাহিনী ও সরঞ্জাম এই সামরিক বিমান বহন করতে সক্ষম।

প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও-র তরফের খবর অনুযায়ী, সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে এই ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে। অর্ডিন্যান্স ফ্যাক্টরির তরফে এল এন্ড টি এই ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে নির্মাণ করেছে। এই কাজ ভারতের মেক ইন ইন্ডিয়া প্রোগ্রামের আওতায় করা হয়েছে।

ডিআরডিও-র তরফে একটি প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “অনুমোদনের জন্য নিয়ম মাফিক দুটি সিস্টেমে ভারতীয় সেনা, বায়ুসেনা এবং এডিআরডিই যৌথভাবে এর ট্রায়াল করেছে। ৬০০ মিটার উচ্চতা থেকে ২৮০ কিমি প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে এই ট্রায়াল প্রক্রিয়া হয়েছে”।

প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থার এই কাজ সামরিক বাহিনীকে ব্যপকভাবে সাহায্য করবে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি, যে সকল জায়গায় পৌঁছন কষ্টসাধ্য সেরকম জায়গায় র‍্যাপিড ডেলিভারিতেও সাহা্য্য করবে এই ব্যবস্থা।

প্রসঙ্গত, চিনের সঙ্গে সীমান্তে সংঘাতের মাঝেই হালকা ওজনের ট্যাঙ্ক কেনায় সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি গালওয়ানে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ পরবর্তী সময়ে পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এই ধরনের ১৫টি ট্যাঙ্ক মোতায়েন করেছিল চিন। তাই অপেক্ষাকৃত উঁচু ও পাহাড়ি এলাকায় মোতায়েনের জন্য হালকা ওজনের ট্যাঙ্ক কেনায় অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, লাদাখের মতো এলাকায় চিনকে টক্কর দিতে হলে হালকা ওজনের ট্যাঙ্কের প্রয়োজন রয়েছে বলে কেন্দ্রকে জানায় সেনাবাহিনী। বিমানে করে নিয়ে যাওয়া সম্ভব এমন ট্যাঙ্ক কেনার সুপারিশ করে তারা। তার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

কোন দেশ থেকে এই হালকা ওজনের ট্যাঙ্ক কেনা হবে, তা যদিও এখনও স্থির হয়নি। তবে চিন ছাড়া এই মুহূর্তে রাশিয়াই যেহেতু একমাত্র দেশ, যারা বিমানে বয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব এমন হালকা ওজনের ট্যাঙ্ক তৈরি করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও হালকা ওজনের ট্যাঙ্ক তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। তবে সেটি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে মনে করা হচ্ছে, রাশিয়ার থেকেই এই ব্যবস্থা পেতে চলেছে ভারত।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ