নয়াদিল্লি: খুব দ্রুত আমদানি করা পণ্যের ওপর ফের নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেশকে আত্মনির্ভরতার পথে আরও একধাপ এগিয়ে দিতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। জানা গিয়েছে কিছু দিনের মধ্যেই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এমন অস্ত্র ও অস্ত্রের সরঞ্জামের দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

দেশীয় কোম্পানিগুলিকে আরও উৎপাদনে উৎসাহ দেওয়া ও দেশকে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভর গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত বলে খবর। এই বছরের শেষের দিকে দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। দেশীয় কোম্পানিগুলি কি কি সরঞ্জাম তৈরি করতে প্রস্তুত, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখে এই তালিকা তৈরি করা হবে।

ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাতকারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক উচ্চ পদস্থ আধিকারিক বলেন, এই তালিকা বেশ দীর্ঘ করতে চাইছে কেন্দ্র। সামরিক খাতে দেশকে আত্মনির্ভরতার পথে হাঁটানোই একমাত্র লক্ষ্য মোদী সরকারের। এই ধরণের আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা অস্ত্রের প্রথম তালিকা গত ৯ই অগাষ্ট প্রকাশ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। এর মধ্যে ১০১টি পণ্যের নাম ছিল।

ছিল আর্টিলারি গান, অ্যাসল্ট রাইফেল, রাডার, ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফটের নাম। সশস্ত্র ফাইটিং ভেইকলের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। অন্তত ৫০০০ কোটি খরচে সেই গাড়ি কেনার কথা ছিল। ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তি ও নিজস্ব ডিজা্ইন দিয়ে সেইসব সরঞ্জাম দেশের মাটিতে তৈরি করা হবে বলে জানানো হয়। ওই ১০১টি জিনিসের তালিকায় ছিল আর্টিলারি গান, কমব্যাট হেলিকপ্টার, অ্যাসল্ট রাইফেল, কভার্ট, রাডার, সশস্ত্র গাড়ি, ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট সহ একাধিক উচ্চপ্রযুক্তিসম্পন্ন অস্ত্র।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানায়, এবার থেকে এসবই তৈরি হবে ভারতে।রাজনাথ সিং জানান, ২০১৫ থেকে ২০২০-র মধ্যে তিন বাহিনীতে এরকম অন্তত সাড়ে ৩ লক্ষ টাকার অস্ত্র ও সরঞ্জাম আমদানি করা হয়েছে। এবার এই সিদ্ধান্তের পর ভারতীয় সংস্থাই ৪ লক্ষ টাকার বরাত পাবে আগামী ৬-৭ বছরে।

উল্লেখ্য অস্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে বিশ্বে ভারত রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। অস্ত্র রফতানিতে ২৩ নম্বর স্থানে রয়েছে ভারত। প্রধানমন্ত্রী মোদী আগামী পাঁচ বছরে প্রতিরক্ষা রফতানিতে ৫বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা রেখেছেন। তাঁর আশা ভারত আগামী পাঁচ বছরে অর্থাৎ ২০২৫ সালের মধ্যে ১.৭৫ লক্ষ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করতে সক্ষম হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.