নয়াদিল্লি: মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিরক্ষা বাজেট বরাদ্দ বরাবরই নজর কেড়েছে। কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম। নজর কাড়ল না প্রতিরক্ষা বাজেট।

এবার বরাদ্দ হিসেবে ধরা হয়েছে মাত্র ৩.৩৭ লক্ষ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় মাত্র ৬ শতাংশ বেশি। প্রতিরক্ষা দফতরের পেনশন তহবিল বাবদ বরাদ্দের অংশ বাদ দিলে এ বছরের বাজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে আধুনিকীকরণের জন্য মাত্র ১.১৩ লক্ষ কোটি টাকা। এর ফলে একাধিক প্রকল্পে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেন্টার ফর এয়ার পাওয়ার স্টাডিজ-এর অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল এয়ার ভাইস মার্শাল মনমোহন বাহাদুর জানিয়েছেন, ‘প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, আধুনিকীকরণ খাতে বরাদ্দ তহবিল যথেষ্ট নয়। অনেক গর্ত ভরাট করতে হবে।’

২০২১ সালের অর্থবর্ষের জন্য বাজেট বরাদ্দ নির্ধারণের সময় প্রতিরক্ষা খাতে গত অর্থবর্ষের তুলনায় মাত্র ২ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এমন কী, বাজেট ভাষণেও অর্থমন্ত্রীকে প্রতিরক্ষা বাজেটের কথা উল্লেখ করতে দেখা যায়নি। বিশেষ গুরুত্বও দেওয়া হয়নি।

জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বিবিধ আধুনিকীকরণ প্রকল্পের জন্য প্রতিরক্ষা খাতে স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধির আশা করেছিল সেনাবাহিনী। বর্তমানে সীমান্ত পাহারা, সন্ত্রাস দমন-সহ একাধিক ক্ষেত্রে কাজের ব্যাপ্তি বেড়ে যাওয়ায় সেনা প্রযুক্তিতে নিয়মিত উন্নয়ন অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।