বেঙ্গালুরুঃ করোনার থাবায় একে একে আক্রান্ত হয়েছেন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অসংখ্য তারকা। এবার করোনা আক্রান্ত হলেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। দীপিকার বাবা, মা এবং বোন তিন জনের করোনা রিপোর্টও পজিটিভে।

গত মাসে স্বামী রণবীর সিংয়ের সঙ্গে দীপিকা নিজের বাড়ি বেঙ্গালুরু এসেছিলেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে। যাওয়ার পথে মুম্বই এয়ারপোর্টে মিডিয়ার ক্যামেরায় ধরা পড়েছেন রণবীর – দীপিকা।

অভিনেত্রীর বাবা জনপ্রিয় ব্যাটমিন খেলোয়াড় প্রকাশ পাদুকন, মা উজ্জলা এবং বোন অনিশার প্রায় ১০ দিন আগে করোনার কিছু সিমটম দেখা দেয়। তারা করোনা টেস্ট করায়। তাদের তিনজনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দীপিকার মা এবং বোন বাড়িতে নিজেদের আইসোলেট রাখেন। কিন্তু বাবার শরীর তুলনামূলক বেশি খারাপ থাকায় তাকে ভর্তি করা হয়েছিল বেঙ্গালুরুর একটি নামী হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। তিনি এখন অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। এই সপ্তাহের শেষেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ডিসচার্জ করার কথা রয়েছে। তাদের পরিবারের এক কাছের বন্ধু বিমল কুমার এক সংবাদমাধ্যমে এই খবর জানিয়েছেন।

সম্প্রতি দীপিকা তার সোশ্যাল মিডিয়ায় মেন্টাল হেলথ সংস্থার একাধিক নম্বর শেয়ার হরেছিলেন। অভিনেত্রী নিজে একসময় মানসিক রোগ বা ডিপ্রেশনের স্বীকার হয়েছিলেন। তাই তিনি মনে করেন এই কঠিন পরিস্থিতিতে মানুষ শারীরিক ভাবে অসুস্থ হওয়ার আগেই মানসিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তাদের সুস্থ জীবন প্রদানের উদ্দেশেই তিনি ভাগ করে নিয়েছেন এই নম্বরগুলি। তিনি বলেছেন, ‘সর্বদা মনে রাখবে তুমি একা নও। আমরা সবাই একে অপরের পাশে আছি। জীবন থেকে কখনও আশাহত হবে না’। এই দুর্সময় মানুষকে মানসিকভাবে মজবুত করে তুলেই চেয়েছেন অভিনেত্রী।

মহারাষ্ট্র করোনার ভয়াল রূপ দেখে সংক্রমণ ঠেকাতে এপ্রিলে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে ১৫ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময়েই দীপিকা এবং রণবীর পাড়ি দিয়েছিলেন বেঙ্গালুরু। নিজের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে। এখন সেখানেই রয়েছেন তারা। দীপিকার বাবা, মা এবং বোনের সংক্রমণের প্রায় ১০দিন পরই করোনা আক্রান্ত হন তিনি। অভিনেত্রীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হচ্ছে।

কাজের প্রসঙ্গে, কপিল দেবের বায়োপিক ‘83’ তে অভিনয় করছেন রণবীর এবং দীপিকা উভয়েই। রণবীরকে অভিনয় করতে দেখা যাবে কপিল দেবের চরিত্রে। এবং কপিলের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করবেন দীপিকা। এছাড়াও ‘পাঠান’, ‘ফাইটার’, ‘দ্য ইন্টার্ন’ ছবিগুলিতে দেখা যাবে দীপিকাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.