মুম্বই: মাদক যোগে নাম জড়িয়েছে বলিউডের অভিনেত্রী দীপিকা পাডুকোন, সারা আলি খান, শ্রদ্ধা কাপুর, রকুল প্রীত সিং এর। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো এই অভিনেত্রীদের মাদক যোগের সন্ধান পেয়েছে। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু তদন্ত করতে গিয়ে বা বলিউডের মাদক যোগ উঠে এসেছে। এই বিষয়ে অভিনেত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছে এনসিবি।

সংবাদমাধ্যম জি নিউজ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদে কী কী কথা হয়েছে। জানা যাচ্ছে এনসিবি যে গেস্টহাউসে রয়েছেন সেখানে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে চেক করে দেখা হয় দীপিকার সঙ্গে কোনো গোপন ডিভাইস রয়েছে কিনা। তার সঙ্গে আলাদা কোনো মোবাইল ফোন রয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হয়। কারণ তার নিজস্ব মোবাইল ফোনটি জিজ্ঞাসাবাদের আগেই বাজেয়াপ্ত করা হয়।

গেস্ট হাউজের প্রবেশ করার ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে দীপিকাকে তিন তলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে অভিনেত্রীর সঙ্গে এনসিবি আধিকারিকরা সাধারণ ও স্বাভাবিক কথাবার্তা বলেন। দীপিকা যাতে তাদের সঙ্গে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এবং চিন্তামুক্ত থাকেন সেই জন্যই আড্ডার ছলে কিছুক্ষণ কথা বলেন তারা।
প্রথমেই এনসিবি আধিকারিকরা তাঁকে নাম ও ইত্যাদি জিজ্ঞাসা করেন। এসব শুনে নাকি বেশ কিছুটা অবাক হন অভিনেত্রী। কারণ তাকে চেনেন না এমন মানুষ খুব কমই রয়েছেন। এর পরে তাকে কিছু ধরাবাঁধা প্রশ্ন করা হয়। এবং সময়ের পরিপ্রেক্ষিতেও কিছু প্রশ্ন করা হয়।

২০১৭-য় মাদক নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট সম্পর্কে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দীপিকা কী ধরনের উত্তর দিতে পারেন সে সম্পর্কে আগে থেকেই মোটামুটি ওয়াকিবহাল ছিলেন এনসিবি আধিকারিকরা। তিনি যে ড্রাগ নেননি, এটাই বলবেন তা তারা জানতেন। একই প্রশ্ন তাঁরা বিভিন্নভাবে দীপিকাকে জিজ্ঞাসা করেন। যাতে অভিনেত্রী কিছুটা কনফিউজড হয়ে উত্তর দিয়ে দেন। তবে দীপিকা খুবই সাবলীল ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
দেখে নেওয়া যাক কিভাবে এনসিবি ও দীপিকার মধ্যে কথোপকথন হয়েছিল-

১)এনসিবি-র পক্ষ থেকে ২০১৭-য় দীপিকা হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে বলেছিলেন ‘মাল হ্যায় কেয়া?’

দীপিকা- হ্যাঁ আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম। কিন্তু আপনি যেই মালের কথা ভাবছেন এটা সেটা নয়। আমরা সিগারেটকে মাল বলি কোড ওয়ার্ডে।

২) এনসিবি জিজ্ঞাসা করে, তাহলে হ্যাশ কী? এটাও আপনারই চ্যাটের অংশ।

দীপিকা- হ্যাঁ আমরা সিগারেট কেই মাল বলি। আর হ্যাশ(চরস) এবং উইড(গাঁজা) এগুলি এক ধরনের সিগারেট। মানে সিগারেটের ব্র্যান্ড।

৩) এনসিবি জিজ্ঞাসা করে হ্যাশ এবং লিড কি করে আলাদা ব্র্যান্ডের হতে পারে?

দীপিকা- আমরা পাতলা সিগারেটকে হ্যাশ বলি আর মোটা সিগারেটকে উইড বলি।

দীপিকা জানিয়েছেন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বিভিন্ন কারণে তারা এই কোড ব্যবহার করেন। তিনি আরও বেশকিছু কোড শব্দের ব্যাপার খোলসা করেছেন। যেমন পনির, কুইকি এবং ম্যারেজ। পনির এর অর্থ হল যারা খুব রোগা। কুইকি হল স্বল্প সময়ের সম্পর্ক। আর ম্যারেজ হল দীর্ঘসময়ের সম্পর্ক। ‘ডুব’ শব্দটিও তারা সিগারেটের জন্য ব্যবহার করেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

দীপিকা পাডুকোন এর ম্যানেজার করিশমা প্রকাশ একি বয়ান দিয়েছেন। এবং সেই জন্যই এনসিবি আধিকারিকরা মনে করছেন দুজনেই যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়ে বয়ান দিতে এসেছিলেন। তবে তাদের উত্তরে এনসিবি খুব একটা খুশি নয় বলে জানিয়েছে। ভবিষ্যতেও তাদের আবার ডাকা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।