চন্ডীগড়: বিরাটের অধিনায়কোচিত ইনিংসে মোহালিতে সহজ জয় পেয়েছে ভারত৷ প্রোটিয়াদের সাত উইকেটে হারিয়ে টি-২০ সিরিজে ১-০ এগিয়ে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া৷ দলকে সহজ জয় এনে দেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত মাইলস্টোন সেট করেছেন ক্যাপ্টেন কোহলি। ডেপুটি রোহিত শর্মাকে পিছনে ফেলে বুধবার আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক হন বিরাট৷ ম্যাচ শেষে ক্যাপ্টেনের প্রশংসা তরুণ পেসার দীপক চাহারের মুখে৷ বিরাটকে ‘নেক্সট-লেভেল প্লেয়ার’ অ্যাখ্যা দিলেন টিম ইন্ডিয়ার ডানহাতি পেসার৷

চাহার বলেন, ‘বিরাট ভাইয়া ধারাবাহিকভাবে রান করে যাচ্ছে৷ ও একজন নেক্সট-লেভেল প্লেয়ার৷’ মোহালিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে বিরাটের ৫২ বলে ৭২ রানের অপরাজিত ইনিংসে ১৪৯ রান তাড়া করে সহজেই ম্যাচ জিতে নেয় ভারত৷ আন্তর্জাতিক টি-২০ কেরিয়ারে ২২তম হাফ-সেঞ্চুরি করেন কোহলি৷ সেই সঙ্গে রোহিতকে টপকে যান কোহলি৷

মোহালিতে ব্যক্তিগত ১২ রানে আউট হওয়ায় আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে রোহিতের মোট রান হয় ২,৪৩৪। অর্থাৎ, ব্যাট হাতে এদিন ৬৫ রানের গন্ডি পেরোতেই রোহিতকে টপকে টি-২০ ক্রিকেটে সর্বাধিক রানের মালিক হন বিরাট ‘দ্য রানমেশিন’। ভারত অধিনায়কের ম্যাচ জেতানো ইনিংস সাজানো ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায়। কোহলিই বিশ্বের মধ্যে একমাত্র ব্যাটসম্যান, তিন ফর্ম্যাটেই যাঁর ব্যাটিং গড় ৫০-এর বেশি৷

ধরমশালায় সিরিজের প্রথম ম্যাচ বৃষ্টিতে পণ্ড হওয়ায় প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে ভারতের টি-২০ সিরিজ কার্যত দু’ম্যাচের হয়ে দাঁড়ায়৷ মোহালিতে জিতে সিরিজ জয়ের পথে এক ধাপ এগিয়ে রইল কোহলি অ্যান্ড কোং৷ মোহালিতে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথমে ব্যাটিং করতে পাঠান বিরাট৷ ভারতের সামনে ১৫০ রানের টার্গেট রাখে প্রোটিয়ারা৷

জসপ্রীত বুমরাহের অনুপস্থিতিতে ভারতীয় পেস আক্রমণকে নেতৃত্ব দেন দীপক চাহার৷ চার ওভারে মাত্র ২২ রান খরচ করে দু’টি উইকেট তুলে নেন রাজস্থানের এই পেসার৷ নিজের বোলিং সম্পর্কে চাহার বলেন, ‘আমি ডেথ ওভারেও ভালো করতে পারি৷ পাওয়ার প্লে-তে মাত্র দু’জন ফিল্ডার ৩০ গজের বাইরে থাকে৷ কিন্তু পাওয়ার প্লে-র পর পাঁচজন ফিল্ডার থাকে৷ সুতরাং ডেথ ওভারে বোলিং করা কঠিন নয়৷’

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২০২০ টি-২০ বিশ্বকাপে কথা মাথায় রেখে এই সিরিজে তরুণদের দেখে নিতে চাইছে ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক৷ বিশ্বকাপের লক্ষ্য প্রসঙ্গে চাহার বলেন, ‘বিশ্বকাপ এখনও এক বছর বাকি৷ সুতরাং এখনই আমি বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবতে চাই না৷ আমি ম্যাচ বাই ম্যাচ ভাবতে চাই৷ প্রতিটি ম্যাচেই আমারে কাছে শেষ ম্যাচ৷’