ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছে না রেল টিকিটের পেমেন্ট৷ এমনই গুজব ছড়িয়েছিল কিছুদিন আগে৷ তবে পুরোটাই রটনা, সাফ জানিয়ে দিল রেল কর্তৃপক্ষ৷ রেলমন্ত্রক জানাচ্ছে, সমস্ত ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডই অ্যাকসেপ্ট করা হচ্ছে৷ ছড়িয়ে পড়া তথ্যের মধ্যে কোন সত্যতা নেই৷ তাই, যাত্রীরা নিশ্চিন্তে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারেন৷

রেলমন্ত্রক যোগ করেছে, কোন ধরণের বিধি নিষেধ দেওয়া হয়নি৷ আইআরসিটিসি সমস্ত ধরণের ব্যাংকের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্টকেই অ্যাকসেপ্ট করবে৷ পেমেন্ট পেজে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের জন্য ফলো করুন ‘পেমেন্ট গেটওয়ে/ক্রেডিট/ডেবিট কার্ডস’ ৷ আইআরসিটিসির ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য রয়েছে সাতটি গেটওয়ে৷ যার মধ্যে আইসিআইসিআই ব্যাংক, এইচডিএফসি ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, অ্যাক্সিস ব্যাংক, পেটিএম উল্লেখযোগ্য৷

ভারতে রেল যাত্রীদের সংখ্যা নেহাত কম নয়৷ আর, সেই যাত্রীদেরই জন্য রেল নিয়ে আসছে হাজারো নয়া সুযোগ-সুবিধা৷ ইতিমধ্যেই রেলের বিভিন্ন কামরার বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ লুক পরিবর্তন করা হয়েছে৷ বলা চলে, প্রায় ঢেলে সাজানো হয়েছে কামরাগুলিকে৷ শুধু রেলের কামরাতেই সীমাবদ্ধ নেই বিষয়টি৷ রেল স্টেশনগুলিকেও দৃষ্টিনান্দনিক করে তোলা হয়েছে৷ আর্কষণীয় ছবি যেখানে প্রধান হাতিয়ার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।