নয়াদিল্লি: রাত পেরোলেও এখনও সংঘর্ষের ঘটনা জারি রাজধানীতে। সোমবার দুপুরে যে ঘটনার সূত্রপাত। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত সেই ঘটনায় সাত জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। সাতজনের মধ্যে একজন পুলিশ কর্মী ও বাকিরা সাধারণ নাগরিক।

এছাড়াও এই ঘটনায় অন্তত ১০০জন আহত হয়েছেন বলে খবর। এদের মধ্যে ৪৮ জন পুলিশ কর্মী। এমনকি মঙ্গলবার সকালে পথচারীদের লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি পুলিশের।

একদিকে ভারত সফরে এসেছেন ট্রাম্প দম্পতি। আর অন্যদিকে একের পর এক মৃত্যুর দেখছে রাজধানী দিল্লি। সোমবার বিকেল থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এদিন দিল্লির পরিস্থিতির যেসব ছবি প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে তাতে রাজধানীকে যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া আর কিছুই মনে হচ্ছে না। ধ্বংস হয়েছে একের পর এক গাড়ি বাড়ি দোকানপাট সব কিছুই। এমনকি পেট্রোল পাম্পে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিন ভজনপুর আর একটি পেট্রোল পাম্পে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

ইটের আঘাতে মৃত্যু হয়েছে রতনলাল নামে এক পুলিশের হেড কনস্টেবলের। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইটের আঘাতে গুরুতর চোট পান রতনলাল। তখনই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে এক বিক্ষোভকারী পুলিশের দিকে বন্দুক নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন।

একদিকে ভারতে সফরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর অন্যদিকে এদিনই আগুন জ্বলল দিল্লিতে।

সরকারি একটি সূত্রের দাবি, মার্কিন প্রেসিডেন্ট উপস্থিত থাকাকালীন যাতে এই ধরনের ঘটনা ঘটে, সেটা পরিকল্পনামাফিকই করা হয়েছে। যদিও আরও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত করে এই ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছেন এক পদস্থ অফিসার।