কলকাতা: ফের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের কবলে কল্লোলিনী কলকাতা। জতুগৃহ স্ট্র্যান্ড রোডের অগ্নিকান্ড ক্রমেই বিশাল আকার গ্রহণ করল। স্ট্র্যান্ড রোডে পূর্ব রেলের সদর দফতরে সোমবার সন্ধে ৬টা নাগাদ যে আগুন লাগে তা ক্রমেই ভয়ংকর রূপ নেওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯।

আগুন আপাতত নিয়ন্ত্রণে এলেও আরও মৃত্যুর আশঙ্কা এখনই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সন্ধেয় স্ট্র্যান্ড রোডের ওই বহুতলের ১৩ তলায় আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। পরে আরও ৪টি ইঞ্জিন গিয়ে রাত ৯টা নাগাদ আগুন খানিকটা নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গিয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকার্যে হাত লাগায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরও।

কলকাতা পুলিশের এক এএসআই, একজন রেল কর্মী এবং ৫ দমকল কর্মী। প্রাথমিকভাবে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যুর খবর মেলে। রাতের দিকে ১৩ তলায় নতুন করে আগুন ছড়ানোর খবর পাওয়া যায়। রাত সাড়ে এগারোটার আশেপাশে স্ট্র্যান্ড রোডে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। ঘটনাস্থলে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু।

পরে আগুন ফের নিয়ন্ত্রণে এলেও প্রায় পৌনে একঘন্টা ঘটনাস্থলে ঠাঁই দাঁড়িয়ে থেকে উদ্ধারকাজে তদারকি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, ডিজি ফায়ার জাভেদ শামিম, পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র, হোম সেক্রেটারি।

লিফটে উঠতে গিয়েই সকলের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। দমকলমন্ত্রী সুজিত বোসও একই কথা বলেন। ৫টি দেহ লিফটে, দুটো দেহ লিফটের বাইরে পড়ে ছিল বলে জানা গিয়েছে। রেলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ঘটনাস্থলে মুখ্যমন্ত্রী উষ্মা প্রকাশ করেন। রেলের কাছ থেকে বিল্ডিংয়ের ম্যাপ চেয়েছিল দমকল কর্তৃপক্ষ কিন্তু সহযোগিতা মেলেনি বলেও জানান মমতা বন্দোপাধ্যায়।

এরপর এক এক করে উদ্ধার করা মৃতদেহগুলি নিয়ে যাওয়া হয় এসএসকেএমের উদ্দেশ্যে। রাত ১২টার কিছু সময় পর ঘটনাস্থল থেকে এসএসকেএমের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রীও। তবে উদ্ধার হওয়া দেহগুলি এতটাই ঝলসে গিয়েছে যে সনাক্তকরণের কাজ ভীষণই কঠিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.