নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসাত: অতিরিক্ত তাড়াহুড়োতে ঘটতে পারে বিপদ! এমনটাই আশঙ্কা করেছিলেন বিদ্যুৎ কর্মীরা। আর সেটাই হল। আমফান ঝড়ে বিপর্যস্ত এলাকায় বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু হল এক বিদ্যুৎ কর্মীর। তিনি স্থানীয় এক ইলেকট্রিশিয়ন বলে জানা যাচ্ছে।

বিধ্বংসী সুপার সাইক্লোনের পর থেকেই বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছিল উত্তর ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকা। বিদ্যুতের তার ছিড়ে দীর্ঘদিন বিদ্যুৎহীন হয়ে ছিল বারাসাতের নবপল্লী এলাকাটিও। আর বিদ্যুৎতের পোলে উঠে বিদ্যুৎসংযোগকারী তার জুড়তে গিয়ে প্রাণ হারালেন স্থানীয় ওই ইলেকট্রিশিয়ান। সোমবার দুপুরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে বারাসাতের নবপল্লীতে। ঘটনাস্থলেই বিদ্যুৎতের পোল থেকে তড়িতাহত হয়ে ছিটকে পড়েন ইলেকট্রিশিয়ান অমল দাস। বয়স ৪৫-এর কাছাকাছি বলে জানা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, অমল দাস কোনও সরকারি কর্মী ছিলেন না। দীর্ঘদিনই তিনি বিভিন্ন বাড়িতে বিদ্যুৎ সংক্রান্ত কাজ করতেন। তাঁর বাড়ি বারাসাতের নবপল্লী এলাকার বিদ্যাসাগর পল্লীতে। সোমবার পিজিবাগানের নন্দনকানন লেনে কাজ করতে গিয়ে পোল থেকে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে ছিটকে পড়েন তিনি। বছর পয়ঁতাল্লিশের বিদ্যুৎ কর্মীকে দুর্ঘটনার পরেই বারাসাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

আমফান ঝড়ের পরে বারাসাতের অনেক এলাকার মত পিজিবাগানে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে। এলাকায় দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ নেই। সাধারণ মানুষের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ। ঈদের উৎসবের দিনও বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় কাজে ব্যস্ত। পর্যাপ্ত সরকারি কর্মী নেই।

অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন টুকিটাকি বিদ্যুৎ সংক্রান্ত কাজ বেসরকারি লোকরাই করছেন। এরকমই একটি কাজে সামান্য অসতর্কতার মাসুল দিতে হল অমল দাসকে। এলাকার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, প্রচন্ড আলোর ঝলকানি এবং আওয়াজ। মুহূর্তে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ছিটকে পড়েই প্রাণ হারান তিনি। স্থানীয় পুলিশ ও তৃণমূল নেতা দুর্ঘটনার কথা শুনে ঘটনাস্থলে যায়। বিদ্যুৎয়ের কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু এলাকায় শোক ও চাঞ্চল্য রয়েছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।