চণ্ডীগড়: পঞ্জাবে বিষমদ পান করে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়ল। রবিবারে মৃত্যু হল আরও ১৮ জনের। এরফলে বিষমদ কাণ্ডে মৃত্যু হল মোট ১০৪ জনের।

এই ১৮ জন মৃতের মধ্যে তরণ তারণের রয়েছে ১৭ জন। ওই এলাকাতেই বিষমদের ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে। অন্য একজন গুরুদাসপুরের বাটালা এলাকার বলে জানা গিয়েছে।

এই ঘটনায় মোট ২৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং। অমৃতসর রুরাল, গুরুদাসপুর ও তরণ তারণে তল্লাশি চালানো হয়েছে।

শুক্রবার রাত পর্যন্ত পঞ্জাবের তরণ তারণ জেলায় মৃতের সংখ্যা ১৯ ছিল। যেটি শনিবার বেড়ে ৪২ হয়েছে। ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ কুলবন্ত সিং জানান, শনিবার তরণ তারণ জেলায় নতুন করে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। উনি এও বলেন যে, জেলার সদর আর শহর এলাকায় বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

পুলিশের এক আধিকারিক জানান, বেশিরভাগ পরিবারই সামনে আসছে না। তাঁরা কোনও অ্যাকশন নেওয়া হোক সেটা চাইছে না। অনেকেই আবার পোস্ট মর্টেমও করতে দিচ্ছে না। অনেক আক্রান্তের পরিবার বয়ান দায়ের করার জন্য আসছে না। কিন্তু পুলিশ বারবার তাঁদের সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করে চলেছে। আর এর মধ্যে গুরুদাসপুরের জেলা শাসক মোহম্মদ ইসফাক বলে, অনেক পরিবার এটাই স্বীকার করছে না যে, তাঁদের পরিজনের মৃত্যু বিষাক্ত মদ খেয়ে হয়েছে। তাঁরা বলছে তাঁদের পরিজনের মৃত্যু হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও