দিল্লি: ভাবছেন মন্দির কীভাবে মৃত্যু ডেকে আনবে আপনার? মন্দিরে তো মানুষ যান মুক্তি পেতে, শান্তি পেতে। কিন্তু মৃত্যুর মন্দিরেও কি তাহলে যাওয়া যায়? না, মৃত্যুকে স্পর্শ করার সাহস কারো নেই। আর তাই এই মন্দিরের পাশ দিয়ে যেতেও ভয় পান সেখানকার অধিবাসীরা। কিন্তু মন্দির মানেই সেখানে আসীন রয়েছেন দেবতা। তাই বাইরে থেকেই সকলে প্রণাম করেন এই মন্দিরকে। জানেন কোথায় আছেন এই মন্দির? কোন দেবতা রয়েছেন এখানে?

হিমাচল প্রদেশের চম্বা জেলার ভারময় নামক স্থানে অবস্থিত এই মন্দিরটি দেখতে অত্যন্ত সুন্দর হলেও সেখানে থাকেন স্বয়ং যমরাজ। আবার তার সঙ্গে চন্দ্রগুপ্তও থাকেন বলে লোকমুখে প্রচারিত। মন্দিরের মধ্যেই গোপন এক ঘরেই মানুষের পাপ-পুণ্যের হিসেবে কষেন তারা। শেষে কারুর মৃত্যু হলে যমরাজের কাছে পৌঁছায় সেই খবর। গুটিকয়েক ভক্ত ছাড়া আর কেউই অভিশপ্ত এই মন্দিরে ঢোকার কথা তো দূর পা বাড়ানোর সাহসও দেখায়নি। যদিও পাহাড়ে ঘেরা মন্দিরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এর প্রতি টেনে আনে পর্যটকদের, তবে ভয় একটাই পাছে মন্দির দর্শন করতে গিয়ে মৃত্যুকে সমন দেওয়া হয়ে যায়। সবাই মানেন যে একমাত্র মৃত্যুর পরই যমরাজের দর্শন পাওয়া যায়। মৃত্যুর আগে তার সঙ্গে সাক্ষাত মানেই নিজের বিপদকে কড়া নাড়া। তবে কেন এতো ধুমধামভাবে যম রাজের মন্দির স্থাপিত হয়েছিল? এই প্রশ্নের উত্তর এখনো রয়েছে অজানা।

আরো পোস্ট- মন্দিরে রাত কাটালেই গর্ভবতী হন নিঃসন্তান মহিলা!

মন্দিরের ভিতরে গোপন দরজা আছে কীনা তার উত্তর পাননি কেউই। কারণ কেউই এর ভেতরে ঢোকার দুঃসাহস করেননি। মন্দিরটিতে মোট চারটি অদৃশ্য দরজা রয়েছে যেগুলি নাকি সোনা, রুপা, ব্রোঞ্জ এবং লোহা দিয়ে তৈরি বলে লোকমুখে প্রচারিত। পুরাণেও নাকি এমন চারটি দরজার বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। যমরাজের ইচ্ছা অনুযায়ীই নাকি মৃত ব্যক্তির আত্মা এসব দরজার কোনো একটি দিয়ে স্বর্গ বা নরকে পৌঁছায় বলে প্রচারিত।

মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভের জন্যে সেই আত্মার ঠাঁই হয় যমরাজের পায়ের কাছে। সেখানে চিত্রগুপ্ত সেই আত্মার ভালো মন্দের হিসাব পেশ করেন মৃত্যুর দেবতার সামনে। তারপর যমরাজ সিদ্ধান্ত নেন, কোন দরজা খোলা হবে সেই আত্মার জন্যে। মন্দিরটি যেন আজকের যুগেও জন্ম-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে রয়েছে একাকী।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।