কথায় বলে যে “জন্ম-মৃত্যু-বিয়ে, তিন বিধাতা নিয়ে”। অর্থাৎ আমাদের পৃথিবীতে অবতরণ, নতুন জীবন পাওয়া ও পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার সমস্ত বিধি বিধাতাই লিখে রাখেন জন্ম মুহূর্তের আগে থেকেই।

তা খন্ডাতে পারে না কেউই। প্রতিটি প্রাণেরই একদিন না একদিন কালের নিয়মে মৃত্যু ঘটবে।

তবে ভাবলেও অবাক হবেন যে এমন এক শহরের অস্তিত্বও আছে যেখানকার বাসিন্দারা মারা যেতে পারেন না। এটাই নাকি সেখানকার লোকেদের বিশ্বাস।

অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটিই এখনও তারা সত্যি বলে মেনে আসছে। নরওয়ের সালবার্ডের কেন্দ্রে মাত্র দুই হাজার মানুষের বাস। সেই বিশেষ জায়গার নাম লংইয়ারবিন শহর।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ানের (Scandinavian) উত্তর ইউরোপের তিনটি দেশ নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্কের জন্য দেওয়া নাম। এদের মধ্যে নরওয়ে ও সুইডেন স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপ হিসেবে গড়ে উঠেছে।

দেশ তিনটি ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত দিক থেকে পরস্পরের সঙ্গে মিশে রয়েছে। এই স্ক্যান্ডিনেভিয়ানে একসময় নাকি শোনা যায় যে অন্যতম বৃহৎ কয়লাখনি ছিল।

আরো পোস্ট-  বৈশাখী অমাবস্যা: জানুন শুভ মুহূর্ত ও পুজোর বিধি

এই কয়লা খনিতে কাজ করা শ্রমিকদের জন্য লংইয়ারবিনে একটি জায়গা ঠিক করে দেওয়া হয়। খাড়া পাহাড় আর হিমবাহ দিয়ে ঘেরা নিরিবিলি জায়গা হিসেবে রয়েছে অ্যাডজেন্টফোর্ড।

অ্যাডজেন্টফোর্ডেরই উপকূলে রয়েছে লংইয়ারবিন (Longyearbyen)। ২০০০ সালের দিকে, যখন এই শ্রমিকরা এই জায়গা ছেড়ে চলে না গিয়ে সেখানেই স্থায়ীভাবে বাস করা শুরু করে, তখন এটি পরিণত হয় ছোট্ট শহরে।

ধীরে ধীরে সেখানে পর্যটন শিল্পের বিকাশও ঘটতে থাকে। বাসিন্দারা যে কঠিন নিয়মগুলি মানেন সেই নিয়মগুলো তৈরি করা হয়েছে সেখানকার কঠিন আবহাওয়ার (hard weather condition) জন্য।

বছরের দীর্ঘ একটা সময় অন্ধকারে ঢাকা থাকে এই শহর। মৃত্যুকে অবৈধ হিসেবে মনে করেন তারা।

কোনো মৃত্যু পথযাত্রীর খোঁজ সেখানে পাওয়া গেলে দ্রুত তাকে মূল ভূ-খণ্ড থেকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে এই স্থানটি যেহেতু বরফে সম্পূর্ণভাবে ঢেকে থাকে তাই বেশিরভাগ সময়ই সেখানে মৃতদেহগুলো কবর (grave) দিলে তা মিশে যায় না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.