মানসিক চাপ আমাদের জীবনের একটি অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন। জীবনের যে কোনো পদক্ষেপে এতো সমস্যা আছে যে না ভেবে উপায় নেই। কিন্তু এই চাপের চোটে আমাদের মানসিক সুখ, শান্তি সব নষ্ট হচ্ছে ভীষণভাবে। ব্যক্তিগত জীবনও হচ্ছে প্রভাবিত। করোনা পরবর্তী সময়ে এই প্রভাব আরো বেশি বুঝতে পারছি আমরা। শারীরিক ও মানসিক দুই ধরণের সমস্যাই হচ্ছে করোনা পরবর্তী কর্মপদ্ধতিতে। কিন্তু তাই বলে কাজ থামিয়ে রাখলে তো আর হবে না। তাই এই চাপ সামলাতে নিজেদের জীবনধারায় আনুন কিছু ভালো পরিবর্তন। এতে কাজ ও ব্যক্তিগত জীবন দুইই ব্যালেন্স করতে পারবেন।

১. সবার আগে মনকে ঠান্ডা করতে ব্যায়াম শুরু করুন। এর জন্যে জিম যাওয়া বা বড়ো কোনো ট্রেনারের সাহচর্য লাগবে না। ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলুন। মাসেল-এর ব্যায়াম করলেই উত্তেজনা, মানসিক চাপ অনেকাংশে কমে যাবে। দুশ্চিন্তা আমাদের মননে এতটা খারাপ প্রভাব ফেলে যে আমাদের রাতের পর রাত কেটে যায় বিনিদ্রায়। অনেকেই বুঝতে পারেন না তাদের শরীর কখন চাপ অনুভব করছে। কিন্তু বা ভেতরে ভেতরে এর ফল বেরোতে শুরু করে দিয়েছে। এছাড়াও মাথা ঠান্ডা রাখতে কাজের সময় আপনার রুমের বাইরে হালকা আওয়াজে গান চালাতে পারেন। সেই গানের সুর যেন কান অবধি পৌঁছায় সেটা দেখবেন। এর জন্যে আপনি উন্নত কিছু মিউজিক সিস্টেম দেখতে পারেন অনলাইনে। রইলো লিংক। এগুলিকে বলে ব্লুটুথ স্পিকার।

 

২. অনেক সময় যদি হাজার চেষ্টা করেও ঘুম না আসে তাহলে জোর করে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন না। বিছানা থেকে উঠুন। এবার হালকা আলোয় বই পড়ুন বা অন্য কোনো কাজ করতে পারেন। একটু পরে সেই কাজটি থামিয়ে আবার শুতে যান। দেখবেন আস্তে আস্তে ঘুম পাবে।

৩. বাড়িতে কাজ করলে দুপুরবেলা বা বিশেষ কিছু সময়ে ঘুম আসবেই। তাই দুপুরে ঘুমানোর ব্যাপারে নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিটের বেশি ঘুমাবেন না দুপুরে। এমন করে মাঝে মাঝেই পাওয়ার ন্যাপ নিতে পারেন। এতে তন্দ্রা ভাব কেটে যায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।