টেনেসি: ক্যানসার আক্রান্ত বাবার মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়েছিল ষোড়শী৷ বছর ঘুরতেই জন্মদিনের দিন পোস্টের মাধ্যমে হাজির একটি উপহারের খাম৷ খুলতেই চক্ষু চড়ক গাছ মেয়ের৷ ‘মৃত’ বাবার উপহার! সঙ্গে ফুলের তোড়া ও বাবার হাতের লেখা একটি ছোট্ট চিঠি! চমকে উঠেছিলেন বেইলি সেলার্স৷

আরও পড়ুন- ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী উপচে গিয়েছিল অক্সিজেনে

নিজে দাঁড়িয়ে থেকে যে বাবার শেষ-কৃত্য করেছেন৷ মৃত্যুর এক বছর পর তাঁর নিজের হাতে লেখা শুভেচ্ছা পত্র কিভাবে এল! খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ক্যানসার আক্রান্ত মৃত্যু পথযাত্রী বাবা মেয়ের প্রতি অপত্য স্নেহ থেকে মৃত্যুর আগেই একটি সংস্থাকে পাঁচ বছরের জন্য আগাম উপহারের টাকা দিয়ে গিয়েছিলেন৷ শর্ত ছিল- প্রতিবছর মেয়ের জন্মদিনের দিন নির্দিষ্ট ঠিকানায় তাঁর চিঠি সহ উপহার ও ফুলের তোড়া পৌঁছে দিতে হবে কন্যার কাছে৷

আরও পড়ুন- পুড়ছে ‘বিশ্বের মেরুদণ্ড’, আতঙ্কে মানুষ!

ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার টেনেসিতে৷ সম্প্রতি বাবার বাবার সঙ্গে সমুদ্রে তিরে নিজের ছোটবেলার ছবি টুইট করে পিতা-কন্যের অপত্য সম্পর্কের কথা জানিয়েছেন তিনি৷ ইতিমধ্যে সেই টুইট ৭ লক্ষেরও বেশি ‘লাইক’ পেয়ে সোশ্যাল সাইটে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে৷ সেখানে টুইট করে বেইলি জানান, ‘‘পৃথিবীতে সবচেয়ে খাঁটি সম্পর্ক পিতা ও কন্যার সম্পর্ক৷

আরও পড়ুন- স্টেশনেই নগ্ন হয়ে যৌনতায় আবদ্ধ হলেন যুগল

মাত্র ১৬ বছর বয়সেই বেইলি পিতৃহারা হয়েছিলেন৷ এখন তাঁর বয়স ২১৷ এবছরই বাবার পাঠানো শেষ উপহার এসে পৌঁছেছে তাঁর কাছে৷ বেইলি জানান, ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তাঁর বাবা মারা যান৷ কিন্তু তারপরেও প্রতিবছর নিয়ম করে জন্মদিনের দিন বাবার পাঠানো উপহার পেয়ে আসছেন তিনি৷ নির্দিষ্ট দিনে ডাকযোগে বাবার উপহার পেয়ে থাকেন তিনি৷

আরও পড়ুন- মানবিকতার আরেক রূপ! এখানে হরিণ শিশুও স্থান পায় মায়ের বুকে

বেইলি জানান, তাঁকে ‘সারপ্রাইজ’ দিতে মৃত্যু পথযাত্রী বাবা একটি সংস্থাকে পাঁচ বছরের জব্য আগাম টাকা মিটিয়ে দিয়েছিলেন৷ নিয়ম করে প্রতিবছর নির্দিষ্ট দিনে ওই সংস্থার উপহার পৌঁছে যায় বাড়িতে৷ সঙ্গে একগুচ্ছ ফুল ও বাবার হাতের লেখা চিঠি৷
এবারেই পাঁচ বছর পূর্ণ হল৷ ফলে এটাই বেইলিকে পাঠানো তাঁর বাবার শেষ চিঠি৷ যাতে তিনি লিখেছেন- ‘‘এটাই আমার শেষ প্রেমপত্র৷ ছোট্ট সোনা, আমি চাই না আমার জন্য তোমার চোখ দিয়ে আর এক ফোঁটাও জল পড়ুক৷ ভালো থেকে৷ জেনো রাখো, আমি এখন আরও এক সুন্দর জায়গায় রয়েছি৷’’