পাটনা: ভারতে প্রতিটা দিন অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়ছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় তরঙ্গের ফলে দেশের পরিস্থিতি সংকটের দিকে দাঁড়িয়ে। বর্তমানে দাঁড়িয়েছে দৈনিক ৪ লক্ষেরও বেশি। ভাইরাসের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধির ফলে বিহার সরকার রাজ্যের সমস্ত স্কুল এবং কলেজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আগেই। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার গত মাসে ঘোষণা করে জানিয়েছিলেন, ১৫ মে পর্যন্ত সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোভিডের কারণে বন্ধ রাখা হবে। বিহারে দীর্ঘদিন ধরে পঠন-পাঠন বন্ধ থাকায় পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে দূরদর্শন এক অভিনব সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কোভিডে রাজ্যের সমস্ত স্কুল বন্ধ থাকার কারণে দূরদর্শন (ডিডি) বিহার নবম, দশম, একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য ভার্চুয়াল শিক্ষণ ক্লাস সম্প্রচার করবে। দূরদর্শনে ক্লাসগুলো প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত সম্প্রচারিত করা হবে। ভারতের পাবলিক ব্রডকাস্টার, ডিডি বিহার, বিহার শিক্ষা প্রকল্পের (বিইপি) কোভিড-১৯ মহামারীর পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতির জন্য ভার্চুয়াল ক্লাস সম্প্রচার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

পড়াশোনার পাশাপাশি এই মহামারীর সময়ে কোভিডবিধি মেনে চলা এবং বাড়ির সংকটের মধ্যে কীভাবে সুস্থ্য থাকা যায় সেই সমস্ত বিষয়েও উৎসাহিত এবং অবহিত করা হবে পড়ুয়াদের। ভার্চুয়াল শিক্ষণ ক্লাসগুলো শ্রেণি বিশেষে ভাগ করা হয়েছে ডিডি বিহারের তরফে। নবম এবং দশম শ্রেণির পড়ুয়াদের ক্লাস সম্প্রচার করা হবে সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত। অন্যদিকে একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের ক্লাস সম্প্রচার করা হবে সকাল ১১ টা থেকে ১২ টা অবদি। সমস্ত শ্রেণীর প্রতিটা বিষয়ের ক্লাসের জন্য ১৬ থেকে ১৭ মিনিটের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউনিসেফের প্রযুক্তিগত সহায়তায় ডিজাইন করা হয়েছে ডিজিটাল পাঠ্যক্রমটি। বিহার সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজ্যের ৮,০০০ বিদ্যালয়ের ৩৮ লক্ষ পড়ুয়াকে ডিজিটাল টিউটোরিয়াল সুবিধা প্রদান করার চেষ্ঠা করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.