নয়াদিল্লি: দেশে করোনা সংক্রমণ ৩ লক্ষের গন্ডি পার করেছে।দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরণ কর্মসূচি।কিন্তু কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না মারণ ভাইরাস করোনাকে।এবার করোনার রাশ টানতে জাইডাস ক্যাডিলির ‘ভিরাফিন’ -কে জরুরী ভিত্তিতে অনুমোদন দিল ডিসিজিআই।পূর্ণবয়স্ক করোনা রোগী যাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল, তাঁদের চিকিৎসায় এই ওষুধ ব্যবহার করা যাবে।

সংস্থার দাবি, তাদের তৈরি ‘ভিরাফিন’ আসলে অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ এবং করোনা আক্রান্তদের মৃদু উপসর্গ থাকলে এই ওষুধে একদিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব।অনেক বছর ধরেই হেপাটাইটিস বি ও সি- রোগীর ক্ষেত্রে ভাল কাজ করেছে এই ওষুধ। একাধিক ডোজে রোগীর স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত হয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, রোগীর শ্বাসকষ্ট কমেছে এবং অক্সিজেন সাপোর্টের প্রয়োজন পড়েনি। করোনা রোগীদের শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা একটা চিন্তার কারণ।গত ৫ এপ্রিল সংস্থার তরফে ভিরাফিন ওষুধের ছাড়পত্রের জন্য কেন্দ্রকে আবেদন করা হয়।

সংস্থা জানিয়েছে, গোটা দেশে ২০-২৫টি কেন্দ্রে ভিরাফিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছে। শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যাই হয়ে উঠেছে কোভিড চিকিৎসায় বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জ। ভিরাফিন ব্যবহারে অক্সিজেনের উপরে নির্ভরতা অনেকটাই কমবে। শ্বাস-প্রশ্বাসের ওঠানামাকে নিয়ন্ত্রণে সক্ষম এই ওষুধ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ৩২ হাজার ৭৩০ জন।অ্য়াক্টিভ মামলার সংখ্যা ২৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৬১৬। এই কঠিন পরিস্থিতিতে ‘ভিরাফিন’ ওষুধকে জরুরি ভিত্তিতে ছাড়পত্র দেওয়া ডিসিজিআই-এর অন্যতম বড় সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে চিকিৎসকরা।করোনা যুদ্ধে লড়তে দেশকে অনেকটা এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যাধিকারিকরা। তবে প্রথমবার দেশজুড়ে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন, রেমডেসিভিরের মতো কয়েকটি ওষুধকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োগের ছাড়পত্র দিয়েছিল ডিসিজিআই।

অন্যদিকে বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী । প্রধানমন্ত্রীকে অক্সিজেনের অভাব পূরণে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ১০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে আবেদন জানান। প্রধানমন্ত্রীর ডাকা গুরুত্বপূর্ণ এই ভার্চুয়াল বৈঠকে মহারাষ্ট্র, কেরল, কর্ণাটক, গুজরাত, রাজস্থান, দিল্লি, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীরা অংশ নেন। বৈঠকে দেশের অক্সিজেন প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরাও উপস্থিত হন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.