নয়াদিল্লি : কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ডে সম্মতি দিল ডিজিসিআই। ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই দুই ভ্যাকসিনের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে অনুমোদন দিয়েছে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া। শনিবার ডিসিজিআইয়ের হাতে এই দুই ভ্যাকসিনের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সম্পর্কে ছাড়পত্র দেয় বিশেষজ্ঞ কমিটি।

রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা ঘোষণা করে ডিসিজিআই। কোভ্যাক্সিন ও কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন দুটিকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়। ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন দেশের দ্বিতীয় ভ্যাকসিন, যা অনুমোদন পেল। এর আগে অক্সফোর্ড- অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিশিল্ডকে অনুমোদন দেওয়া হয়।

ডিসিজিআই জানিয়েছে কোভিশিল্ড ৭০ শতাংশেরও বেশি নিরাপদ। দুই থেকে আট ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে সংরক্ষণ করা যাবে কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনকে। আগামী ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে মাস ভ্যাকসিনেশনের জন্য এই দুই ভ্যাকসিনকে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে সেরাম জানিয়েছিল, ২০২১ সালের জুলাই মাসের মধ্যে কেন্দ্র বড়সড় বিনিয়োগ করতে পারে করোনা প্রতিরোধে। ৩০০-৪০০ মিলিয়ন কোভিশিল্ড ডোজ কিনতে পারে কেন্দ্র সরকার।

সেরাম কর্তা জানান, প্রাথমিকভাবে কোভিশিল্ড ভারতেই সরবরাহ করা হবে। এরপর বাকি দেশগুলির পরিস্থিতির ওপর বিচার করে সরবরাহ ব্যবস্থা করা হতে পারে। মূলত আফ্রিকান দেশগুলি, ব্রিটেন, ইউরোপিয়ান দেশগুলিতে কোভিশিল্ড সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে।

সম্পূর্ণ দেশীয় গবেষণায় তৈরি করোনার প্রতিষেধক কোভ্যাক্সিন (Covaxin)। হায়দরাবাদের টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘ভারত বায়োটেক’ ও সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ’ -ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি প্রতিষেধকটি তৈরি করেছে৷ ভ্যাকসিনটির তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের অনুমতি পাওয়ার পর প্রস্তুতকারী সংস্থা ভারত বায়োটেকের কর্তারা দাবি করেছিলেন, ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে টিকাটি তৈরি হয়ে যাবে। সেই লক্ষ্যে জোরকদমে চলছে লড়াই।

কিন্তু ট্রায়াল শুরুর পর খোদ আইসিএমআরের আধিকারিক দাবি করেন, জুন নয়, ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসেই এটি বাজারে চলে আসতে পারে। কিন্তু মনে করা হচ্ছে জানুয়ারিতেই বাজারে আসতে পারে এই টিকা।

প্রসঙ্গত,ভারতের পুণেতে অবস্থিত সেরাম ইনস্টিটিউট কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন তৈরি করছে দেশে। সেরাম ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই ১০০ মিলিয়ন ডোজ তৈরি রয়েছে। একই ভাবে কোভ্যাক্সিনের মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের তিনটি ধাপের মধ্যে দু’টি ধাপের ফলাফলের ভিত্তিতে ওই ছাড়পত্র দেয় বিশেষজ্ঞ কমিটি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.