নয়াদিল্লি: পুলওয়ামা হামলার জের, আরও সতর্ক সিআরপিএফ৷ আধা সামরিক বাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করতে বম্ব ডিটেকশন অ্যাণ্ড ডিসপোজাল স্কোয়াডের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে৷ সিআরপিএফে যোগ দিতে চলেছে আরও নতুন ও উন্নত প্রযুক্তির অ্যান্টি মাইন যান৷ এই গাড়িগুলিতে ৩০ জন জওয়ানের বসার ব্যবস্থা থাকছে৷

মূলত এই বিশেষ গাড়িগুলি ব্যবহার করা হবে কাশ্মীরে বলে সিআরপিএফ সূত্রের খবর৷ এছাড়াও বোমা চিহ্নিতকরণ ও নিষ্ক্রিয়করণ প্রযুক্তির ব্যবহার করে ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বাঁচার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে৷ জম্মু কাশ্মীর পুলিশের জন্যও এই গাড়ি ব্যবহার করা হবে বলে খবর৷ এছাড়াও সিআরপিএফের ৬৫টি ব্যাটালিয়নের জন্য প্রয়োজনীয় এই বিশেষ গাড়ি ব্যবহার করা হবে৷

আরও পড়ুন : ‘মোদী-শাহ চাননি আমি ভোটে দাঁড়াই’, বিস্ফোরক মুরলী মনোহর যোশী

সিআরপিএফের ডিজি আর আর ভাটনগর জানান, পুলওয়ামা হামলার পরেই বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের কথা ভাবা হয়েছিল৷ এই বিশেষ প্রযুক্তি সম্পন্ন গাড়িগুলি তখন থাকলে সাধারণ বাসের কনভয়ে জওয়ানদের নিয়ে যাওয়ার দরকার থাকত না৷ এত প্রাণহানিও হত না৷ ১৪ ফেব্রুয়ারি সিআরপিএফের কনভয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় শহিদ হন ৪০ জন জওয়ান৷

এই কাণ্ডের দায় স্বীকার করে জইশ-ই-মহম্মদ৷ এদিকে, সেই একই ছকে ফের হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানায় ইন্টালিজেন্স এজেন্সি৷ জি নিউজ-এর খবর অনুযায়ী, এই এজেন্সির রিপোর্টে বলা হয়, দক্ষিণ কাশ্মীরে ফের ভয়াবহ হামলা করতে পারে জইশ-ই-মহম্মদ৷ দক্ষিণ কাশ্মীরের কাজিগুন্ড এবং অনন্তনাগে আইইডি বিস্ফোরণ করতে পারে জইশ৷ এবং এই অপারেশনের জন্য একটি চুরি করা এসইউভি গাড়িও ব্যবহার করতে পারে জঙ্গিরা৷

আরও পড়ুন : এনকাউন্টারে খতম চার মাওবাদী

ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে ইন্টালিজেন্স এজেন্সি সতর্কবার্তা জারি করেছে৷ উপত্যকায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়৷ ফলে ফের নতুন করে সতর্ক হয়ে যায় সিআরপিএফ৷