নয়াদিল্লি: দেশ জুড়ে পাবজি ব্যান হওয়ার পর থেকে হতাশ একাধিক যুবক যুবতি। যদিও কেন্দ্রের তরফে নেওয়া সিদ্ধান্তে কার্যত বিপর্যস্ত চিন। তবে মনে করা হচ্ছে এই সিদ্ধান্তের ফলে ফের চিনের বিরুদ্ধে বেশ কয়েক পদক্ষেপ এগিয়ে গেল ভারত। তবে খুশির খবর। পাবজি ব্যান হওয়ার পর যাতে সকলকে হতাশ হতে না হয় সেই কারণে আসতে চলেছে এক দেশীয় গেম।

ওই গেমের নাম ‘ফৌজি’। যদিও কেন্দ্রের তরফে কেবল পাবজিও নয় তার সঙ্গে ব্যান করা হয়েছে আরও ১০০ টির বেশি অ্যাপ। তবে কেন্দ্রের তরফে এই গেম নিয়ে আসাতে মনে করা হচ্ছে যথেষ্ট খুশি হবে গেম প্রেমী যুবক যুবতীরা। তবে এই গেম আনা হচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেতা অক্ষয় কুমারের উদ্যোগে আনা হচ্ছে।

জানা গিয়েছে এই গেমটি আনতে চলেছে বেঙ্গালুরুর এক সংস্থা। এই গেম থেকে আয়ের ২০ শতাংশ দান করা হবে ভারতকে বীর ট্রাস্টে দান করা হবে। ওই ট্রাস্ট পুলওয়ামা কাণ্ডের পরেই গঠন করা হয়েছিল। আত্ম নির্ভর প্রকল্পের অংশ হিসেবে আনা হচ্ছে এই গেম। এমনটা জানা গিয়েছে।

অক্ষয় কুমারের তরফে জানা গিয়েছে তরুন প্রজন্মের কাছে গেম অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ একটি বিষয়। আর এই গেম তাদের অসাধারন অনুভূতি দেবে। পাশপাশি তাদের ভারতীয় সেনা এবং তাদের আত্ম বলিদান সম্পর্কে জানতে সাহায্য করবে। যা তরুণদের এই গেম খেলতে আকর্ষিত করবে।

এখনও পর্যন্ত পাওয়া তথ্যর ভিত্তিতে জানা গিয়েছে ভারতীয় সেনাদের সঙ্গে অন্যান্য দেশের লড়াইয়ের উপর ভিত্তি করে এই গেম তৈরি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই গেমের টিজার সামনে এসেছে। দ্রুত এই গেম প্লে স্টোরে নিয়ে আসা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই গেমের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মিলিন্দ দেওরা। তবে এই গেমটিও যে যথেষ্ট আকর্ষণীয় হতে চলেছে তা বোঝা গিয়েছে। আর ত্ম নির্ভর ভারত প্রকল্পে এই গেম আশাতে অনেকেই যে আগ্রহী হয়েছেন তাও বোঝা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।