নয়াদিল্লি: ২৬শে জুলাই৷ কার্গিল বিজয় দিবস৷ তার ঠিক আগের দিন পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিলেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত৷ কার্যত তাঁর হুমকি, আরেকটা কার্গিল করার চেষ্টা করলে তার ফল হাতে নাতে বুগতে হবে পাকিস্তানকে৷ তবে তাঁর বিশ্বাস সেই ভুল পাক সরকার দ্বিতীয় বার করবে না৷

তবে পাকিস্তানের কোনও হামলাই যে ভারতের মাটিতে সফল হবে না, তা এদিন বুঝিয়ে দিয়েছেন রাওয়াত৷ তিনি বলেন যত বড় হামলার পরিকল্পনাই করুক না কেন, পাকিস্তানের সব হামলাই বানচাল করবে ভারতীয় সেনা৷ যথাযোগ্য প্রত্যুত্তর দিতে সব সময় তৈরি সেনা৷

আরও পড়ুন : ব্যবসার প্রথম দিন থেকে উপার্জন করুন, জেনে নিন উপায়

পাকিস্তানকে এদিন সতর্ক করে বিপিন রাওয়াত বলেন ওদের সতর্ক থাকা উচিত৷ বারবার পাকিস্তানকে হারিয়েছে ভারত৷ তাই ইতিহাস মনে রেখে যেন নতুন করে হামলার দু:স্বপ্নও না দেখে ওরা৷ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পুলওয়ামা হামলা নিয়ে বিবৃতি প্রসঙ্গে এদিন সেনাপ্রধান বলেন সত্যিটা কি গোটা বিশ্ব জানে৷ এজন্য ইমরান খানের সার্টিফিকেটের প্রয়োজন নেই৷ ভারত যে যে প্রমাণ এই ইস্যুতে তুলে ধরেছে, তাতে প্রমাণিত এই হামলার পিছনে পাক জঙ্গিদেরই হাত রয়েছে৷

বিপিন রাওয়াতের দাবি পাকিস্তান বরাবর ভারত সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিয়ে এসেছে৷ সেই কাজ এখনও চালিয়ে যাচ্ছে তারা৷ কিন্তু ভারতীয় সেনার তৎপরতায় বারবারই ফিরে যেতে হয়েছে সেইসব অনুপ্রবেশকারীদের৷ তাই এখন এই সংখ্যা অনেক কমে এসেছে৷

আরও পড়ুন : মাইনাস ১৫ ডিগ্রিতে আড়াই মাস যুদ্ধ, কার্গিলের গল্প শোনালেন প্রাক্তন বাঙালি মেজর

ভারতীয় সেনার তৎপরতা ও সীমান্তে ভারতীয় সেনার সংখ্যা বাড়ানোর জন্যই পাকিস্তান আর অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিতে পারছে না৷ সেনাপ্রধানের দাবি জঙ্গিরাও বুঝে গিয়েছে এদেশে ঢুকলে মৃত্যু অবধারিত৷

এর আগে পুলওয়ামা হামলার দায় পাক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ স্বীকার করলেও, পাক প্রধানমন্ত্রী পাক যোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেন৷ এই হামলায় পাকিস্তান কোনওভাবেই যুক্ত নয় বলে দাবি করে ইমরান বলেন এই হামলা “indigenous thing”৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।