নয়াদিল্লি: ২০১৪-র পর ১৯-এও বড়সড় পরাজয় কংগ্রেসের। সারা দেশে মাত্র ৫২টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। রাহুলের কেন্দ্র আমেঠিতেও শোচনীয় পরাজয়। প্রিয়াঙ্কাকে দায়িত্বে আনার পরও উত্তরপ্রদেশে মাত্র একটি আসন। কংগ্রেস শিবিরে চরম হতাশা। রাহুলের পদত্যাগ করা উচিৎ বলে প্রশ্ন তুলেছে রাজনৈতিক মহল। তিনি পদত্যাগ করবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ইতিমধ্যেই তাঁর টেবিলে জমা পড়েছে তিন খানা পদত্যাগপত্র।

ইতিমধ্যেই হার স্বীকার করে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের প্রদেশ সভাপতি রাজ বব্বর। খোদ রাহুল গান্ধী-ও ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

ওড়িশা এবং কর্নাটকে কার্যত ধুয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। এখনও কর্নাটকে সরকার চালাচ্ছে কংগ্রেস-জেডিএস জোট। এর পরও ভরাডুবি হওয়ায় কর্নাটকের কংগ্রেসের প্রচার-প্রবন্ধক এইচ কে পাতিল ইস্তফা দেন। ওড়িশায় ২১টি আসনে মাত্র একটি দখল করতে পারে কংগ্রেস। নবীন পট্টনায়েকের বিজেডির দাপটে কংগ্রেস এবং বিজেপি ওড়িশায় কোণঠাসা। সে রাজ্যের প্রদেশ সভাপতি নীরাঞ্জন পট্টনায়েকও ইস্তফা দেন।

তবে রহুল কংগ্রেস সভাপতি থাকছেন কিনা, উত্তর মেলেনি সেই প্রশ্নের। শনিবার বসবে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক। গান্ধী পরিবারের দুর্গ বলে পরিচিত অমেঠিতে প্রায় ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে স্মৃতি ইরানির কাছে হেরে যান রাহুল। যা ঐতিহাসিক এবং নজিরবিহীন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্য একটি কেনদ্র ওয়ানাড থেকে যদিও বিপুল ভোটে জয় পান রাহুল। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেছিলেন, অমেঠি থেকে লড়ে দেখাক রাহুল।

উত্তর প্রদেশে সনিয়ার রায়বেরেলি ছাড়া আর একটি আসনও দখলে রাখতে পারেনি কংগ্রেস।