পুরী: পুলিশের সঙ্গে সেবায়েতদের বচসার জেরে শুক্রবার বন্ধ হয়ে যায় পুরীর মন্দির। ভক্তরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকলেও খোলেনি দরজা। সেই সমস্যার পর অবশেষে শনিবার স্বাভাবিক হল মন্দিরের পরিস্থিতি।

এদিন ভোর ৫টা ২৫ মিনিটে খুলে যায় মন্দিরের সিংহদুয়ার। ঠিক ৬টা ৪০ মিনিটে হয় মঙ্গল আরতি। এরপর নিয়ম মেনে হয় সব আচার-অনুষ্ঠান। আয়োজন করা হয় মহাপ্রসাদেরও।

এদিকে, শুক্রবারের গণ্ডগোলের জেরে জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে পাঁচ দফা দাবি রেখেছেন সেবায়েতরা।

ঝামেলার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার৷ জগন্নাথ মন্দিরের সেবায়েত ভবানি শংকর মহাপাত্র তিন দর্শনার্থীকে নিয়ে মন্দিরের মূল দরজা দিয়ে প্রবেশ করছিলেন৷ তখনই তাঁদের পথ আটকায় পুলিশ৷ পুলিশের ধারণা ছিল এই দর্শনার্থীরা কেউ হিন্দু নন৷ আর হিন্দু না হলে জগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করা যায় না৷ কিন্তু সেবায়েত দাবি করেন ওই তিন দর্শনার্থী বাঙালি৷ তবে সেই দাবি মানতে চায়নি পুলিশ৷

এরপরই সেবায়েত ও পুলিশ বচসায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি৷ সেবায়েত মহাপাত্রের অভিযোগ তাঁর কথা কোনওভাবেই বিশ্বাস করতে চায়নি পুলিশ৷ এমনকী তাঁর সঙ্গে রীতিমত দুর্ব্যবহার করা হয়েছে৷ সেবায়েতের এই অভিযোগ পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে মন্দিরের সেবায়েত সম্প্রদায়৷ মন্দির কর্তৃপক্ষ সেবায়েতদের অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে বলে অভিযোগ ওঠে৷

এই ধরণের ঘটনা কোনও ভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে সেবায়েতদের পক্ষ থেকে জানানো হয়৷ সেবায়েত ও পুলিশের পক্ষ থেকে সিংহদ্বার থানায় একে অপরের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক এফআইআর দায়ের করা হয়েছে৷

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV