জম্মু: সন্ত্রাস আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না জম্মু কাশ্মীরের৷ গতকালের গ্রেনেড হামলার পর এবার ব্যাগ আতঙ্ক ছড়াল জম্মু বিমানবন্দরে৷ বৃহস্পতিবারই একটি বাসের মধ্যে রহস্যজনক বিস্ফোরণ হয়। সূত্রের খবর, বাসের মধ্যেই গ্রেনেড বিস্ফোরণ হয়৷
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের জম্মু বিমানবন্দরে রহস্যজনক ব্যাগ ঘিরে আতঙ্ক ছড়াল৷ শুক্রবার জম্মু বিমানবন্দর চত্ত্বরে এই ব্যাগটি উদ্ধার করা হয়৷ ব্যাগটি কে বা কারা রেখে গিয়েছে তা জানা যায়নি৷ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে আসে বম স্কোয়াড৷

ব্যাগটিকে চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলেন বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা৷ ব্যাগটি থেকে পাওয়ার সার্কিট মিলেছে, যা যে কোনও ধরণের আইইডি বিস্ফোরণের কাজে ব্যবহার করা হয়৷ জম্মু কাশ্মীর পুলিশের একটি স্পেশাল টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়৷ তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বোমার আকারে কোনও সন্দেহজনক বস্তু ব্যাগটি থেকে পাওয়া গিয়েছে৷ যদিও এই ঘটনায় বিমান চলাচলে কোনও ব্যাঘাত ঘটেনি বলেই শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে৷

আরও পড়ুন : সীমান্তে শত্রু নিকেশে এবার বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় সেনা

কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে গোটা বিমানবন্দর জুড়ে৷ তল্লাশি চালানো হচ্ছে৷ যাত্রী সুরক্ষার সাথে কোনও আপোষ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে৷

এদিকে, গতকালের বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত আটজন আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর পাওয়া আসে। এরপর ক্রমশ বাড়তে থাকে আহতদের সংখ্যা। চিকিৎসকরা জানান, কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক৷ ঘটনার পরেই ঘটনাস্থল ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয় কাশ্মীর জুড়ে।

আরও পড়ুন : সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে পাকিস্তানকে চাপ আমেরিকার

এরপরেই ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়। এরপরেই এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়। যার নাম ইয়াসির ভাট৷ জম্মু আইজিপি মণীশ কে সিনহা জানান, ইয়াসিরকে এই গ্রেনেড ছোঁড়ার নির্দেশ দিয়েছিল হিজবুল মুজাহিদিনের ফারুক আহমেদ ভাট ওরফে ওমর৷ কুলগাম থেকে বৃহস্পতিবারই সে জম্মুতে আসে এই কাজ করার জন্য৷ সিসিটিভি ফুটেজ দেখার পরই ইয়াসিরকে চিহ্নিত করা হয় বলে জানা গিয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।