ইসলামাবাদ: ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড গ্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিম পাকিস্তানে নেই বলে জানাল পাক সরকার৷বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের এই ঘোষণার পরই আন্তর্জাতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গেল৷ সবার এক কথা, দাউদ আছেন কোথায়? ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, দাউদের অবস্থান নিয়ে ভারত নিঃসংশয়৷অর্থাৎ, কি ইউপিএ, কি এনডিএ, দুই সরকারের আমলেই দাউদ পাকিস্তানে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে বলে ভারতের গোয়েন্দারা যে একাধিকবার জানিয়েছেন তা আরও একবার প্রমানিত হয়ে গেল৷ভারতের গোয়েন্দাবাহিনীই জানিয়েছে, দাউদকে পাক সামরিক গুপ্তচর বাহিনী আইএসআই-ই তাদের স্বার্থে সুরক্ষিত ডেরায় রেখে দিয়েছে এবং সেখানে বসেই সে তার যাবতীয় অপারেশন চালিয়ে যাচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত, আজ থেকে পাঁচ দিন আগে৷১৯৯৩য়ের মুম্বই হামলার ১৫ মাস বাদে আত্মসমর্পণ করতে চেয়েছিলেন দাউদ৷ কিন্তু তৎকালীন সরকার এমনটা হতে দেয়নি বলে জানান সিবিআইয়ের তৎকালীন ডিআইজি ও দিল্লির প্রাক্তন কমিশনার নীরজ কুমার৷একটি ইংরেজি দৈনিক পত্রিকায় এই খবর প্রকাশের পরই দাউদ নিয়ে দেশ দুড়ে আলোচনার ঝড় বয়ে যায়৷ এর কিছু সময় পরেই এই দাবি খারিজ করেন নীরজ কুমার স্বয়ং৷ তিনি জানান, এই খবর সম্পূর্ণ ভুল ও ভিত্তিহীন৷

নীরজ কুমারের দাউদ সংক্রান্ত বক্তব্য নিয়ে মঙ্গলবার সংসদ উত্তাল হয়ে ওঠে৷ নরেন্দ্র মোদী সরকারের বিজেপি সাংসদ নিত্যানন্দ রাইয়ের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রতিমন্ত্রী হরিভাই পারথিভাই চৌধুরি জানান, দাউদ ইব্রাহিম কোথায় আছে, তা জানে না ভারত সরকার৷কিন্তু পারথিভাইয়ের এঅ বক্তব্যকে উড়িয়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরণ রিজিজু বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে তাকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছি পাকিস্তানের কাছে। ইতিমধ্যেই অজস্র তথ্যপ্রমাণ ওর ব্যপারে ইসলামাবাদকে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানকে এবার তৎপর হয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে, ওকে আমাদের হাতে তুলে দিতে হবে৷রিজিজুর এই বক্তব্যের অনেক আগে গত ২৭ ডিসেম্বর লখনউয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং জোরের সঙ্গে বলেছিলেন, মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসবাদীদের অন্যতম দাউদকে ভারতের হাতে তুলে দিতে বার বার পাকিস্তানের কাছে দাবি জানানো হয়েছে৷ তা সত্ত্বেও পাক সরকার দাউদের সম্বন্ধে কোনও তথ্য ভারতের হাতে তুলে দেয়নি৷রাজনাথ সিং ও কিরণ রিজিজু-র এই দাবি নস্যাৎ করে দিয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত আব্দুল বাসিত বুধবারই জানান, ভারত কোনও দিনই দাউদ ইব্রাহিমকে ফেরত চায়নি৷

এই সংক্রান্ত আরও খবর পড়ুন    

‘আত্মসমর্পন করতে চেয়েছিল দাউদ’

দাউদ কোথায়? সরকার জানে না

 

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।