মুম্বই: তিহার জেলে বন্দি রয়েছেন দাউদের একসময়ের সঙ্গী ছোটা রাজন। আর এবার সেই রাজনকে হত্যা করতে চাইছে দাউদ ইব্রাহিম। এমনই খবর এসেছে গোয়েন্দাদের কাছে। গোয়েন্দা রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যেই তিহার জেলের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। হাই-প্রোফাইল জেলে নিরাপত্তা যাতে নিশ্ছিদ্র হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দিল্লির গ্যাংস্টার নীরজ বাওয়ানার এক সঙ্গীর কাছ থেকে এই তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা। গ্যাংস্টার হিসেবে পরিচিত বাওয়ার ওই সাগরেদ কিছুদিন আগেই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে। সে মদ্যপ অবস্থায় আর এক গ্যাংস্টারের সঙ্গে কথা বলার সময় ওই তথ্য ফাঁস হয়ে যায়। তার ফোনের কথা থেকেই এই তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা।

সূত্রের খবর, নীরজ বাওয়ানার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে ডি কোম্পানির। তাকে রাজনকে খুনের দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। গত প্রায় দু’দশক ধরে ছোটা রাজনকে হত্যার চেষ্টা করছে দাউদ।

নীরজ বাওয়ানা ছোটা রাজনের সঙ্গে একই জেলে ছিল। এই তথ্য সামনে আসার পরই তাকে অন্য সেলে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকি তাকে সরানোরে আগে তার সেল থেকে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দাউদের পক্ষে বাওয়ানার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব নয়। ছোটা রাজনকে রাখা হয়েছে তিহার জেলের একেবারে শেষের দিকে ২ নম্বর জেলে। আর বাওয়ানাকে একটি আলাদা ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। রাজনের জন্য আলাদা গার্ড ও রান্নার লোকের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.