মুম্বই: নিলাম করা হবে দাউদ ইব্রাহিমের পৈত্রিক সম্পত্তি। মহারাষ্ট্রের রত্নগিরিতে কুখ্যাত গ্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের যে সম্পত্তি রয়েছে, তা নিলামে তোলা হবে বলে খবর। ১০ই নভেম্বর এই অকশনের আয়োজন করা হয়েছে।

মিডিয়া রিপোর্ট জানাচ্ছে, দাউদের এই পৈত্রিক সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে সাতটি জমি। দাউদের গ্রাম কোঙ্কনে এই জমিগুলি রয়েছে। সেগুলিকেই নিলামে তোলা হবে। এছাড়াও দাউদ ঘনিষ্ঠ আরেক মাফিয়া ডন ইকবাল মিরচির দুটি ফ্ল্যাটও নিলামে তোলা হবে।

সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা জানিয়েছেন দোসরা নভেম্বর থেকে বিডারদের বা নিলামে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিরা নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। ৪ঠা নভেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক আবেদনকারীর আর্নেস্ট মানি জমা করে দিতে হবে। ই অকশন, পাবলিক অকশন ও সিলড টেন্ডারের মাধ্যমে অকশন চলবে।

অর্থ মন্ত্রকের অধীনে থাকা সংস্থা SAFEMA গোটা প্রক্রিয়ার তত্বাবধানে রয়েছে। মোট ১৩টি সম্পত্তি এদিন অকশনে উঠবে।

এদিকে, জঙ্গি তালিকা প্রকাশ করে ও সেখানে দাউদের নাম উল্লেখ করে বেশ বিপাকে পড়ে ইসলামাবাদ। সুযোগের সদ্ব্যবহার করে সুর চড়ায় ভারতও। ভারত দাবি জানায় পাক তালিকা ভুক্ত মোস্ট ওয়ান্টেড মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য ও কড়া পদক্ষেপ নিক পাকিস্তান।

নয়াদিল্লি জানায় বারবার এটা প্রমাণিত হয়েছে যে দাউদ ইব্রাহিম পাকিস্তানের নিরাপদ আশ্রয়ে রয়েছে। কিন্তু কোনও দিনই পাকিস্তান তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এটাই সঠিক সময়। ইসলামাবাদ দাউদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে নিজেকে প্রমাণ করুক যে তারা দেশের মাটিতে ক্রমাগত সন্ত্রাসকে মদত দেয় না।

এর আগে, দাউদ ইব্রাহিম পাকিস্তানেই আছে, জানায় পাক সরকার। ঠিক তারপরেই ধূসর তালিকা (FATF) মুক্ত হওয়ার জন্য আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ, মাসুদ আজহার, হাফিজ সইদ সহ মোট ৮৮ জন জঙ্গিনেতা ও জঙ্গি সংগঠনের উপর আর্থিক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসা হয়।

এই সমস্ত জঙ্গি সংগঠন এবং তাদের প্রধানদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় ইসলামাবাদ। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নয়া তালিকা অনুযায়ী এই কাজ করা হয়। ২০১৮ সালের জুন মাসে ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার জন্য ‘ধূসর তালিকায়’ ফেলেছিল।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।