ইসলামাবাদ: ১৯৯৩ মুম্বই বিস্ফোরণের পরে কেটে গিয়েছে কয়েক দশক। আর তার পর থেকেই ভারত এবং ভারতীয়দের কাছে কার্যত আতঙ্কের অন্য একটি নাম হয়ে উঠেছে দাউদ ইব্রাহিম কাসকর। একটি ছোট্ট পরিবার থেকে উঠে এসে যার অপরাধ দুনিয়ার বেতাজ বাদশা হওয়ার কাহিনী কার্যত হার মানায় তাবড় তাবড় বলিউডি সিনেমাকে। তবে এহেন ডন দাউদ ইব্রাহিম কার্যত হতাশ।

দীর্ঘ কয়েক দশকে তাঁকে ধরার বহুবার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই সফল হয়েছেন তিনি। ভারত সরকারের তরফে বারবার জানানো হয়েছে পাক সরকারের সহায়তাতে পাকিস্তানেই রয়েছে দাউদ ইব্রাহিম। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তার প্রভাব নষ্ট করার জন্য একাধিকবার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ভারত সরকারের তরফে।

তবে এহেন দাউদ কার্যত হতাশ। সম্প্রতি ভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যম তার সঙ্গে এক পাকিস্তানি অভিনেত্রী মেহয়েশ হায়াতের সম্পর্ক সামনে আনার কারণে কার্যত হতাশ হয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে কিভাবে তার এই সম্পর্কের কথা সামনে এল তা জানার জন্য ইতিমধ্যে কড়া নজরদারি চালু করেছে মোস্ট ওয়ান্টেড দাউদ।

বলিউডি সিনেমার সঙ্গে একাধিকবার এই অন্ধকারময় জগতের সম্পর্ক সামনে এসেছে। পাশাপাশি ফিল্মি সমাবেশে একাধিক তারকাকে দেখা গিয়েছে দেশের অন্যতম ভয়ঙ্কর এই অপরাধীর সঙ্গে বলি মহলে। আর তাই থেকে সিনে দুনিয়ার প্রতি এহেন ডন দাউদের দুর্বলতার কথা আন্দাজ করা যায়। কিন্তু পাকিস্তানে এক অভিনেত্রীর সঙ্গে তার এই সম্পর্ক সামনে আশাতে বেশ অবাক হয়েছেন অনেকেই।

জানা গিয়েছে মেহয়েস দাউদের থেকে কম পক্ষে ২৭ বছরের ছোট। এই মুহূর্তে ডন দাউদের অন্যতম দুর্বলতা তিনি। এই মেহয়েসকে গ্যাংস্টার ডল অথবা ক্যাট বলে পাকিস্তানে ডাকা হয়ে থাকে। মাত্র কয়েক বছর আগেও তিনি ছিলেন পাকিস্তানি বিনোদন দুনিয়াতে অপরিচিত। সেখান থেকে দাউদের নজরে আসা রীতিমত উল্লেখযোগ্য। আর ভারতেও এই বিষয়টি প্রকাশিত হওয়াতে বেশ হতাশ দাউদ।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I