অভিষেক কোলে: ইতালির কাছে ডেভিস কাপ কোয়ালিফায়ারে হারতে হলেও ভারতের নন-প্লেয়িং ক্যাপ্টেন মহেশ ভুপতি মনে করেন ভারতীয় টেনিস যথাযথ সামনের দিকে এগিয়ে চলেছে। তবে তিনি আরও মনে করেন যে, টেনিসের সার্বিক উন্নয়নের জন্য সরকরি সাহায্যের প্রয়োজন।

আরও পডু়ন- ধোনির প্রত্যাবর্তনে ৪-১ স্বপ্ন দেখছে ভারত

বক্সিং, কুস্তি, হকির মতো খেলাগুলির উদাহরণ দিয়ে ভূপতি বলেন, সরকার এইসব খেলাগুলোর উন্নতিতে পর্যাপ্ত সাহায্য করে। সেদিক থেকে টেনিসের প্রতি সরকারের তেমন একটা নজর নেই। টোকিও অলিম্পিকের কথা মাথায় রেখে গত বছর এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী রোহন বোপান্না ও দ্বিবীজ শরণকে টার্গেট অলিম্পিক পোডিয়াম (টিওপি বা টপ) স্কিমে রাখা হলেও সিঙ্গলস প্লেয়ারদের কথা বিবেচনা করা হয়নি।এমন কোনও স্কিমের আওতায় রেখে সিঙ্গলস প্লেয়ারদেরও আর্থিকভাবে সহায়তা করা দরকার সরকারের।

আরও পড়ুন- বোপান্নাদের লড়াই ব্যর্থ করে টাই জিতল ইতালি

ভারত অধিনায়কের কথায়, ‘আমি জানি রোহন ও দ্বিবীজ ‘টপস’এর আওতায় রয়েছে। তবে সিঙ্গলসের ছেলেদেরও এমন সমর্থন দরকার। এটা সত্যিই জরুরি। টেনিসের জন্য সরকারের এগিয়ে আসা প্রয়োজন। সরকার অনেক খেলার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। হকি, কুস্তি, বক্সিং’এর মতো খেলাগুলোর কথা ভাবে সরকার। তবে টেনিসে এখনও পর্যন্ত তেমন কোনও সরকারি উদ্যোগ চোখে পড়েনি।’

ভূপতির মতে, সর্বভারতীয় টেনিস সংস্থার পক্ষে খেলোয়াড়দের আর্থিকভাবে সমর্থন করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘এআইটিএর পক্ষে খেলোয়াড়দের আর্থিক সহায়তা করা মুশকিল। কারণ, তাদের লাভজনক কোনও আর্থিক সংস্থান নেই। সেদিক থেকে টিওপি, এনএসডিএফের মতো বেশ কয়েকটা স্কিম রয়েছে সরকারের। সিঙ্গলস তারকাদের সেই সব স্কিমের আওতায় আনাই যায়।’

আরও পড়ুন- ধোনিকেই ভয় পাচ্ছে কিউয়িরা

শেষে ভারতীয় টেনিসের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে ভূপতি বলেন, ‘ছবিটা বদলাচ্ছে ধীরে ধীরে। রোম একদিনে তৈরি হয়নি। আমাদের হাতে তিনজন ছেলে রয়েছে, যারা এই পর্যায়ে চ্যালেঞ্জ নিতে পারে। যেটা দীর্ঘ দিন আমাদের কাছে ছিল না। সুতরাং সম্ভাবনা রয়েছে। বিষেশ করে সিঙ্গলসে আমাদের আরও একটু ধৈর্য রাখতে হবে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।